ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তীব্র তাপপ্রবাহ:চলতি বছর ১৩০১ হজযাত্রীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪ ৩১ বার পঠিত

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এ বছর অন্তত ১,৩০১ হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সৌদি আরব বলছে, তাদের অধিকাংশই অননুমোদিত হজযাত্রী। তীব্র গরমে দীর্ঘ পথ হেঁটে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে। এ বছর হজের সময় প্রচণ্ড গরম। হজের সময় পবিত্র নগরী মক্কায় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৫১ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। বিবিসি খবর।

সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, যারা মারা গেছেন তাদের তিন-চতুর্থাংশের সেখানে থাকার আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেই। এ কারণে তারা হজের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পাননি। তীব্র গরমে অনেকেই তাঁবুতে আশ্রয় নিতে পারেননি এবং সরাসরি সূর্যের আলোর নিচেই অবস্থান করতে হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় হাঁটতে হয়েছে।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন বয়স্ক বা অনেকদিন ধরেই অসুস্থ এমন লোকজনও ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহাদ আল-জালাজেল বলেছেন, তীব্র তাপপ্রবাহ যে কতটা বিপজ্জনক এবং কীভাবে হজযাত্রীরা নিরাপদ থাকতে পারেন সে সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ফাহাদ আল-জালাজাল আরও বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় পাঁচ লাখ হজযাত্রীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি হজযাত্রীই অননুমোদিত। কেউ কেউ এখনও প্রচণ্ড তাপ প্রবাহের কারণে ক্লান্তি নিয়ে হাসপাতালেই অবস্থান করছেন।

তিনি বলেন, আল্লাহ নিহতদের প্রতি রহম করুন এবং তাদের ক্ষমা করুন। তাদের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।

হজের আনুষ্ঠানিকতাকে নিরাপদ করতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে সৌদি আরব।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, পবিত্র নগরী মক্কায় তাপমাত্রা বেড়েছে ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের মৃত্যুর সংখ্যা সম্পর্কে আপডেট দিচ্ছে। তবে, সৌদি আরব রবিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা সম্পর্কে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি বা কোনও সরকারী পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।

একজন আরব কূটনীতিকের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এ বছর হজের সময় ৬৫৮ মিশরীয় মারা গেছে। ইন্দোনেশিয়া বলেছে যে তার ২০০ জনেরও বেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়াও, ভারত জানিয়েছে যে তার ৯৮ জন নাগরিক মারা গেছে।

পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, জর্ডান, ইরান, সেনেগাল, সুদান, ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চল এবং বাংলাদেশও তাদের নিজ নিজ দেশের তীর্থযাত্রীদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তীব্র তাপপ্রবাহ:চলতি বছর ১৩০১ হজযাত্রীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এ বছর অন্তত ১,৩০১ হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সৌদি আরব বলছে, তাদের অধিকাংশই অননুমোদিত হজযাত্রী। তীব্র গরমে দীর্ঘ পথ হেঁটে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে। এ বছর হজের সময় প্রচণ্ড গরম। হজের সময় পবিত্র নগরী মক্কায় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৫১ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। বিবিসি খবর।

সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, যারা মারা গেছেন তাদের তিন-চতুর্থাংশের সেখানে থাকার আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেই। এ কারণে তারা হজের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পাননি। তীব্র গরমে অনেকেই তাঁবুতে আশ্রয় নিতে পারেননি এবং সরাসরি সূর্যের আলোর নিচেই অবস্থান করতে হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় হাঁটতে হয়েছে।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন বয়স্ক বা অনেকদিন ধরেই অসুস্থ এমন লোকজনও ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহাদ আল-জালাজেল বলেছেন, তীব্র তাপপ্রবাহ যে কতটা বিপজ্জনক এবং কীভাবে হজযাত্রীরা নিরাপদ থাকতে পারেন সে সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ফাহাদ আল-জালাজাল আরও বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় পাঁচ লাখ হজযাত্রীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি হজযাত্রীই অননুমোদিত। কেউ কেউ এখনও প্রচণ্ড তাপ প্রবাহের কারণে ক্লান্তি নিয়ে হাসপাতালেই অবস্থান করছেন।

তিনি বলেন, আল্লাহ নিহতদের প্রতি রহম করুন এবং তাদের ক্ষমা করুন। তাদের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।

হজের আনুষ্ঠানিকতাকে নিরাপদ করতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে সৌদি আরব।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, পবিত্র নগরী মক্কায় তাপমাত্রা বেড়েছে ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের মৃত্যুর সংখ্যা সম্পর্কে আপডেট দিচ্ছে। তবে, সৌদি আরব রবিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা সম্পর্কে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি বা কোনও সরকারী পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।

একজন আরব কূটনীতিকের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এ বছর হজের সময় ৬৫৮ মিশরীয় মারা গেছে। ইন্দোনেশিয়া বলেছে যে তার ২০০ জনেরও বেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়াও, ভারত জানিয়েছে যে তার ৯৮ জন নাগরিক মারা গেছে।

পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, জর্ডান, ইরান, সেনেগাল, সুদান, ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চল এবং বাংলাদেশও তাদের নিজ নিজ দেশের তীর্থযাত্রীদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।