ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তিনদিন পর নিখোঁজ রেহেলা খাতুনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩ ১২০ বার পঠিত

শফিক কবীর, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর পুকুর থেকে রেহেলা খাতুন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ দুপুরে সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের গাইটাল নামাপাড়ায় একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বৃদ্ধা রেহেলা খাতুন সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের হাজরাদী এলাকার মৃত আবু বকর (গতু মিয়ার) স্ত্রী।

গাইটাল নামাপাড়ায় দুপুর ১২টার দিকে রাজিবের পুকুরে অর্ধগলিত এক নারীর মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। বিষয়টি সাথে সাথেই স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে অজ্ঞাত এ মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে সেখানে রাহেলা খাতুনের ছেলে কেনু মিয়া এসে মৃতদেহটি তার মায়ের বলে শনাক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মা প্যারালাইজড রোগী ছিলেন। তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে একা বের হয়ে পড়তেন। গত রোববার ভোর ৬টার দিকে মা বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। অনেক খুঁজাখুঁজি ও মাইকিং করে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় বিষয়টি জানাই।’

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহটি ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের লোকজনের নিকট দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনদিন পর নিখোঁজ রেহেলা খাতুনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:২৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩

শফিক কবীর, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর পুকুর থেকে রেহেলা খাতুন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ দুপুরে সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের গাইটাল নামাপাড়ায় একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বৃদ্ধা রেহেলা খাতুন সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের হাজরাদী এলাকার মৃত আবু বকর (গতু মিয়ার) স্ত্রী।

গাইটাল নামাপাড়ায় দুপুর ১২টার দিকে রাজিবের পুকুরে অর্ধগলিত এক নারীর মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। বিষয়টি সাথে সাথেই স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে অজ্ঞাত এ মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে সেখানে রাহেলা খাতুনের ছেলে কেনু মিয়া এসে মৃতদেহটি তার মায়ের বলে শনাক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মা প্যারালাইজড রোগী ছিলেন। তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে একা বের হয়ে পড়তেন। গত রোববার ভোর ৬টার দিকে মা বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। অনেক খুঁজাখুঁজি ও মাইকিং করে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় বিষয়টি জানাই।’

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহটি ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের লোকজনের নিকট দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।