ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া ভাউচার, অর্থ লেনদেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও দালালচক্র তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালীর অপসারণ দাবি Logo ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ Logo সায়মন তারিকের নেতৃত্বে এফডিসিতে ‘চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি’র আত্মপ্রকাশ Logo ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে মেসির প্রত্যাবর্তন, মনোনয়ন পেলেন না রোনালদো Logo বন্যার পর তিব্বতে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নেপালেও অনুভূত কম্পন Logo আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ১১০৮ টাকা Logo ১২ বছরের পথচলা উদযাপন: দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ৮০% পর্যন্ত ফ্ল্যাশ সেল, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার ও ৬৪ জেলায় ফ্রি ডেলিভারির বিশেষ সুযোগ Logo জবিতে ২০ শিক্ষার্থীর চলচ্চিত্র প্রদর্শন, অনুষ্ঠিত হলো ‘৩৫ মিলিমিটার-২০২৬’ উৎসব Logo ঢাকাতেও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব থাকবে, জানাল সরকার Logo বিগ ব্যাশে খেলতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন মার্ক চ্যাপম্যান

তারেকের শোডাউন ও নিরাপত্তা খরচের উৎস নিয়ে হাসনাত আবদুল্লার প্রশ্ন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ৩১৪ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আয়ের উৎস, ব্যক্তিগত ব্যয় এবং নির্বাচনি প্রচারণার অর্থায়ন নিয়ে এক বিস্তৃত সমালোচনা করেছেন। ১৯ জানুয়ারি রাতে তাঁর ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, “তাঁর বিশাল শোডাউন, গাড়ি বহর এবং নিরাপত্তার বিপুল খরচ কোথা থেকে আসছে? জনগণকে এই বিষয়ে তথ্য জানার অধিকার রয়েছে।”

হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, “তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন, কিন্তু তিনি এখন কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন? তার আয়ের উৎস এবং খরচের ব্যাপারে প্রশ্ন উঠছে, কিন্তু এই বিষয়ে কেউ কিছু বলছে না।”

এছাড়া, তিনি ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি প্রচারণার জন্য তারেক রহমানের মিডিয়া কমিটিতে ৪৯ জন পেশাদার সাংবাদিককে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও কঠোরভাবে সমালোচনা করেছেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “যখন সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হন, তখন তাঁদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তারা কী নির্বাচনের নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করবেন, নাকি শুধুমাত্র বিএনপির কর্মী হিসেবে কাজ করবেন?”

এই সমালোচনার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমগুলোর ভূমিকা নিয়েও কড়া ভাষায় প্রতিবাদ করেন। বিশেষ করে, তিনি উল্লিখিত করেন যে, যেসব সংবাদমাধ্যম আগে তারেক রহমানকে ‘ভারতের চর’ বা ‘পলাতক ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে উপস্থাপন করত, তারাই এখন আবার তার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার চেষ্টা করছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ অবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গত দেড় বছর ধরে আমাদের বিরুদ্ধে যেভাবে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ঠিক তেমনই তারেক রহমানের আয়ের উৎস এবং ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন করা হোক।”

হাসনাত আবদুল্লাহর এ বক্তব্য তারেক রহমানের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের বিষয়টি আরও একবার উঠে এসেছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতার পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :

তারেকের শোডাউন ও নিরাপত্তা খরচের উৎস নিয়ে হাসনাত আবদুল্লার প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৪:০০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আয়ের উৎস, ব্যক্তিগত ব্যয় এবং নির্বাচনি প্রচারণার অর্থায়ন নিয়ে এক বিস্তৃত সমালোচনা করেছেন। ১৯ জানুয়ারি রাতে তাঁর ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, “তাঁর বিশাল শোডাউন, গাড়ি বহর এবং নিরাপত্তার বিপুল খরচ কোথা থেকে আসছে? জনগণকে এই বিষয়ে তথ্য জানার অধিকার রয়েছে।”

হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, “তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন, কিন্তু তিনি এখন কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন? তার আয়ের উৎস এবং খরচের ব্যাপারে প্রশ্ন উঠছে, কিন্তু এই বিষয়ে কেউ কিছু বলছে না।”

এছাড়া, তিনি ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি প্রচারণার জন্য তারেক রহমানের মিডিয়া কমিটিতে ৪৯ জন পেশাদার সাংবাদিককে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও কঠোরভাবে সমালোচনা করেছেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “যখন সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হন, তখন তাঁদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তারা কী নির্বাচনের নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করবেন, নাকি শুধুমাত্র বিএনপির কর্মী হিসেবে কাজ করবেন?”

এই সমালোচনার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমগুলোর ভূমিকা নিয়েও কড়া ভাষায় প্রতিবাদ করেন। বিশেষ করে, তিনি উল্লিখিত করেন যে, যেসব সংবাদমাধ্যম আগে তারেক রহমানকে ‘ভারতের চর’ বা ‘পলাতক ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে উপস্থাপন করত, তারাই এখন আবার তার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার চেষ্টা করছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ অবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গত দেড় বছর ধরে আমাদের বিরুদ্ধে যেভাবে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ঠিক তেমনই তারেক রহমানের আয়ের উৎস এবং ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন করা হোক।”

হাসনাত আবদুল্লাহর এ বক্তব্য তারেক রহমানের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের বিষয়টি আরও একবার উঠে এসেছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতার পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।