ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তারুণ্যের অহংকার ঐশী কোনপথে?

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪ ১৪ বার পঠিত

তার কণ্ঠে রক এ্যান্ড ফোকের এত সুন্দর সমন্বয় দু’একজন ছাড়া আগে কখনও কোন শিল্পীর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। তার গলা এত উঁচুতে যায় যা সচরাচর কোনো শিল্পীর গায়কীতে চোখে পড়েনা। সুর, তাল, লয় এবং আবেগের তেজে সমন্বয়ে আবেদনসমৃদ্ধ কণ্ঠ তার। আজ বলছি কন্ঠশিল্পী ঐশীর কথা। ফোক ও অন্যান্য গান গেয়েই মাতিয়ে রাখেন দর্শক-শ্রোতাদের।

ঐশী আলোচনায় আসেন ২০১৫ সালে প্রকাশিত তার প্রথম একক ‘ঐশী এক্সপ্রেস’ এ ইমরানের সাথে গাওয়া ‘তুমি চোখ মেলে তাকালে’ গানের মাধ্যমে। মিষ্টি গানের গলা, ফিজিক্যাল গ্লামার, নান্দনিক ভিডিও সব কিছুই ছিল চোখে পড়ার মত। তারপর বেলাল খান ফিচারিং ‘মায়া’তে ঐশীর ব্যতিক্রমী গায়কী আবিস্কার করল শ্রোতারা। ‘দিনে দিনে খসিয়া পরিবে’ ‘কিংবা তোমার দিল কি দয়া হয় না’র দরাজ-রকিং ভোকাল সিক্যুয়াল বজায় থেকেছে ঐশীর গাওয়া ‘দুই কূলে সুলতান’ ও ‘নিজাম উদ্দিন আউলিয়া’ গানেও।

২০১২ সালে হৃদয় মিক্স-৩ এ্যালবামের কাজে গুঞ্জন রহমানের লেখা গান ‘দক্ষিণা হাওয়া’ গেয়ে ঐশী শ্রোতাদের কাছ বেশ সাড়া পেয়েছেন। এ পর্যন্ত ঐশীর প্রকাশিত একক এলবাম পাঁচটি। বেশ কিছু ব্যবসাসফল মিক্সড অ্যালবামেও গেয়েছেন তিনি, তার কণ্ঠে সিঙ্গেল গান প্রকাশিত হয়েছে পঞ্চাশটিরও বেশী, যার সবকটিই পেয়েছে শ্রোতাপ্রিয়তা।

কুমার বিশ্বজিতের সুর ও সঙ্গীতায়োজনে প্রসূন রহমানের কথায় ঐশী প্রথম চলচ্চিত্রে গান করেন। অবতার, পাষাণ, আলতা বাণু, মায়াবতী, গহীন বালুচর, দুলাভাই জিন্দাবাদ, দাগ হৃদয়ে, অন্তর জ্বালা, ‘তুখোড়’ ‘গেম-২’ ‘কত স্বপ্ন কত আশা’ ‘হারজিত’ ‘ভ্রমর’সহ বেশকিছু চলচ্চিত্রে গেয়েছেন তিনি।

অডিও গানে সঙ্গীতচর্চার সাফল্য হিসেবে ‘চ্যানেল আই-সিম্ফনি মিউজিক এ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন ২০১৬ সালে। ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’ চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেয়ার জন্য পেয়েছেন ভারত বাংলাদেশ ফিল্ম এওয়ার্ডও।

তরুণ কণ্ঠপ্রতিভা এবং সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের কারণে ঐশী এখন বাংলাদেশের সঙ্গীতের অন্যতম সম্পদ। তারকাখ্যাতির গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে নিজের জন্য চর্চা অব্যাহত রাখলে ঐশী বাংলা গানের সম্পদ এবং বাংলা গানের শিল্পীদের মধ্যে অনন্য হয়েই থাকবেন এমনটাই মনে করেন তার ভক্তরা ।

তারুণ্যের অহংকার ঐশী কোনপথে?

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

তার কণ্ঠে রক এ্যান্ড ফোকের এত সুন্দর সমন্বয় দু’একজন ছাড়া আগে কখনও কোন শিল্পীর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। তার গলা এত উঁচুতে যায় যা সচরাচর কোনো শিল্পীর গায়কীতে চোখে পড়েনা। সুর, তাল, লয় এবং আবেগের তেজে সমন্বয়ে আবেদনসমৃদ্ধ কণ্ঠ তার। আজ বলছি কন্ঠশিল্পী ঐশীর কথা। ফোক ও অন্যান্য গান গেয়েই মাতিয়ে রাখেন দর্শক-শ্রোতাদের।

ঐশী আলোচনায় আসেন ২০১৫ সালে প্রকাশিত তার প্রথম একক ‘ঐশী এক্সপ্রেস’ এ ইমরানের সাথে গাওয়া ‘তুমি চোখ মেলে তাকালে’ গানের মাধ্যমে। মিষ্টি গানের গলা, ফিজিক্যাল গ্লামার, নান্দনিক ভিডিও সব কিছুই ছিল চোখে পড়ার মত। তারপর বেলাল খান ফিচারিং ‘মায়া’তে ঐশীর ব্যতিক্রমী গায়কী আবিস্কার করল শ্রোতারা। ‘দিনে দিনে খসিয়া পরিবে’ ‘কিংবা তোমার দিল কি দয়া হয় না’র দরাজ-রকিং ভোকাল সিক্যুয়াল বজায় থেকেছে ঐশীর গাওয়া ‘দুই কূলে সুলতান’ ও ‘নিজাম উদ্দিন আউলিয়া’ গানেও।

২০১২ সালে হৃদয় মিক্স-৩ এ্যালবামের কাজে গুঞ্জন রহমানের লেখা গান ‘দক্ষিণা হাওয়া’ গেয়ে ঐশী শ্রোতাদের কাছ বেশ সাড়া পেয়েছেন। এ পর্যন্ত ঐশীর প্রকাশিত একক এলবাম পাঁচটি। বেশ কিছু ব্যবসাসফল মিক্সড অ্যালবামেও গেয়েছেন তিনি, তার কণ্ঠে সিঙ্গেল গান প্রকাশিত হয়েছে পঞ্চাশটিরও বেশী, যার সবকটিই পেয়েছে শ্রোতাপ্রিয়তা।

কুমার বিশ্বজিতের সুর ও সঙ্গীতায়োজনে প্রসূন রহমানের কথায় ঐশী প্রথম চলচ্চিত্রে গান করেন। অবতার, পাষাণ, আলতা বাণু, মায়াবতী, গহীন বালুচর, দুলাভাই জিন্দাবাদ, দাগ হৃদয়ে, অন্তর জ্বালা, ‘তুখোড়’ ‘গেম-২’ ‘কত স্বপ্ন কত আশা’ ‘হারজিত’ ‘ভ্রমর’সহ বেশকিছু চলচ্চিত্রে গেয়েছেন তিনি।

অডিও গানে সঙ্গীতচর্চার সাফল্য হিসেবে ‘চ্যানেল আই-সিম্ফনি মিউজিক এ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন ২০১৬ সালে। ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’ চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেয়ার জন্য পেয়েছেন ভারত বাংলাদেশ ফিল্ম এওয়ার্ডও।

তরুণ কণ্ঠপ্রতিভা এবং সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের কারণে ঐশী এখন বাংলাদেশের সঙ্গীতের অন্যতম সম্পদ। তারকাখ্যাতির গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে নিজের জন্য চর্চা অব্যাহত রাখলে ঐশী বাংলা গানের সম্পদ এবং বাংলা গানের শিল্পীদের মধ্যে অনন্য হয়েই থাকবেন এমনটাই মনে করেন তার ভক্তরা ।