ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুর উচ্চঝুঁকিতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ড!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ২২ বার পঠিত

রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘প্রাক-মৌসুমী এডিস সার্ভে ২০২৪’ এবং ‘মৌসুমি পরবর্তী এডিস জরিপ ২০২৩’-এর ফলাফল জানাতে সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, মৌসুম শুরুর আগেই রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রভাব বেড়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব নির্দিষ্ট মানদণ্ডের চেয়ে বেশি।

ডেঙ্গু বহনকারী এডিস মশার ঘনত্ব এবং প্রজনন স্থান পর্যবেক্ষণের জন্য ১৭ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ দিনের জন্য একটি প্রাক-মৌসুমী জরিপ করা হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, জরিপকৃত তিন হাজার ১৫২টি বাড়ির মধ্যে ৪৬৩টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা (কীটপতঙ্গের একটি জীবনপর্যায়) পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বহুতল ভবনে, ২১ দশমিক ছয় শতাংশ স্বতন্ত্র বাড়িতে, ২১ দশমিক ছয় শতাংশ নির্মাণাধীন ভবনে, ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ সেমিপাকা বাড়িতে ও এক দশমিক ৭৩ শতাংশ খালি জায়গায় মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে।

এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ নামে পরিচিত। সাধারণত এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের স্বীকৃত পদ্ধতি ‘ব্রুটো ইনডেক্স’র মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ১০ শতাংশের বেশি হওয়া মানেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রতি বছর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রাক-মৌসুম, মৌসুম ও মৌসুম-পরবর্তী জরিপ কাজ পরিচালনা করে।

দুই শহরের ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে ২০টির বেশি সূচক রয়েছে। এর মানে হল এই এলাকার ১০০টির মধ্যে ২০টিরও বেশি কন্টেইনারে মশা বা লার্ভা রয়েছে। এসব এলাকা ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

ডেঙ্গুর উচ্চঝুঁকিতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ড!

আপডেট সময় : ০২:৩৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘প্রাক-মৌসুমী এডিস সার্ভে ২০২৪’ এবং ‘মৌসুমি পরবর্তী এডিস জরিপ ২০২৩’-এর ফলাফল জানাতে সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, মৌসুম শুরুর আগেই রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রভাব বেড়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব নির্দিষ্ট মানদণ্ডের চেয়ে বেশি।

ডেঙ্গু বহনকারী এডিস মশার ঘনত্ব এবং প্রজনন স্থান পর্যবেক্ষণের জন্য ১৭ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ দিনের জন্য একটি প্রাক-মৌসুমী জরিপ করা হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, জরিপকৃত তিন হাজার ১৫২টি বাড়ির মধ্যে ৪৬৩টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা (কীটপতঙ্গের একটি জীবনপর্যায়) পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বহুতল ভবনে, ২১ দশমিক ছয় শতাংশ স্বতন্ত্র বাড়িতে, ২১ দশমিক ছয় শতাংশ নির্মাণাধীন ভবনে, ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ সেমিপাকা বাড়িতে ও এক দশমিক ৭৩ শতাংশ খালি জায়গায় মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে।

এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ নামে পরিচিত। সাধারণত এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের স্বীকৃত পদ্ধতি ‘ব্রুটো ইনডেক্স’র মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ১০ শতাংশের বেশি হওয়া মানেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রতি বছর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রাক-মৌসুম, মৌসুম ও মৌসুম-পরবর্তী জরিপ কাজ পরিচালনা করে।

দুই শহরের ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে ২০টির বেশি সূচক রয়েছে। এর মানে হল এই এলাকার ১০০টির মধ্যে ২০টিরও বেশি কন্টেইনারে মশা বা লার্ভা রয়েছে। এসব এলাকা ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।