ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এক মাসের জল্পনার অবসান, নতুন গল্প নিয়ে ফিরছে ‘গোপাল ভাঁড়’ Logo বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে মাশরাফির শ্রদ্ধা, ফেসবুকে লিখলেন ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’ Logo বেলজিয়ামে বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণের গুপ্তধন Logo ১৫ আগস্টের আগে অস্থির বাংলাদেশ: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগের কয়েক সপ্তাহে কী ঘটেছিল Logo ধামরাইয়ে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে Logo সিনেমাটিক মোবাইল ভিডিওগ্রাফির সুবিধাসহ ‘রোবট ফোন’ আনল অনার Logo বাঞ্ছারামপুরের জনবান্ধব ইউএনও তরিকুল ইসলামের বদলিতে চরম ক্ষোভ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সংকটের নেপথ্যে কারা? ডিজিএমকে ঘিরে নানা প্রশ্ন  Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনেও কাটেনি গ্যাস সংকট, দুর্ভোগে ২৬ হাজার গ্রাহক Logo ​ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এজমালি সম্পত্তি একক খারিজে বিক্রয়ের অভিযোগ, ১৪৪ ধারা জারি

ডিমের পর বাজার গরম পেঁয়াজের

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪ ২০৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। গত সপ্তাহে এক কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। যা এখন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিক্রেতা ও পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরবরাহ সংকট ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে খুচরায় পণ্যটির দাম বেড়েছে।

মালিবাগ কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী মিলন মিয়া বলেন, গত সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দাম বাড়া শুরু হয়েছে। ভারতে পেঁয়াজ বিক্রিতে কড়াকড়ি, আবার সেখানেও দাম বেড়েছে। বৃষ্টিতে পেঁয়াজ আসতেও সমস্যা হচ্ছে। সব মিলিয়ে দাম বেড়েছে।

শ্যামবাজারের আড়তদার জালাল উদ্দিন বলেন, শীতের আগে এই সময়টায় দেশি পেঁয়াজ ফুরিয়ে আসে। ফলে দাম বেড়ে যায়। অন্যদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি চালু থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় তা পড়তায় পড়ছে না। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। শীতের সবজি উঠলে দাম কমা শুরু হবে।

এদিকে শুল্ক কমলেও উল্টো ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে চিনির দাম। দোকানভেদে এক কেজি খোলা ও প্যাকেট চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়েনি।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে এক সপ্তাহে। এ অনুযায়ী বাজারে খোলা সয়াবিন বিক্রি হওয়ার কথা ১৫৬ থেকে ১৬০ টাকা। তবে বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১৭০ থেকে ১৭২ টাকা ও পাম অয়েল ১৬৫ থেকে ১৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত তেল ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫ লিটারের সয়াবিন ৮০০ থেকে ৮১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া রুই ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা, কৈ ২২০ টাকা, সিলভার কার্প ২২০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, শিং ৮০০ টাকা, বোয়াল প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :

ডিমের পর বাজার গরম পেঁয়াজের

আপডেট সময় : ০৩:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। গত সপ্তাহে এক কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। যা এখন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিক্রেতা ও পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরবরাহ সংকট ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে খুচরায় পণ্যটির দাম বেড়েছে।

মালিবাগ কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী মিলন মিয়া বলেন, গত সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দাম বাড়া শুরু হয়েছে। ভারতে পেঁয়াজ বিক্রিতে কড়াকড়ি, আবার সেখানেও দাম বেড়েছে। বৃষ্টিতে পেঁয়াজ আসতেও সমস্যা হচ্ছে। সব মিলিয়ে দাম বেড়েছে।

শ্যামবাজারের আড়তদার জালাল উদ্দিন বলেন, শীতের আগে এই সময়টায় দেশি পেঁয়াজ ফুরিয়ে আসে। ফলে দাম বেড়ে যায়। অন্যদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি চালু থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় তা পড়তায় পড়ছে না। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। শীতের সবজি উঠলে দাম কমা শুরু হবে।

এদিকে শুল্ক কমলেও উল্টো ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে চিনির দাম। দোকানভেদে এক কেজি খোলা ও প্যাকেট চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়েনি।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে এক সপ্তাহে। এ অনুযায়ী বাজারে খোলা সয়াবিন বিক্রি হওয়ার কথা ১৫৬ থেকে ১৬০ টাকা। তবে বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১৭০ থেকে ১৭২ টাকা ও পাম অয়েল ১৬৫ থেকে ১৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত তেল ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫ লিটারের সয়াবিন ৮০০ থেকে ৮১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া রুই ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা, কৈ ২২০ টাকা, সিলভার কার্প ২২০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, শিং ৮০০ টাকা, বোয়াল প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।