ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভোট মেনে নেওয়া হবে না, যদি কোন অনিয়ম হয়- মিরজা আব্বাসঃ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে গাজীপুরে, উপস্থিতি সন্তোষজনক Logo ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, নওগাঁয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট। Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নেন। প্রতিবাদকারীরা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন, বিশেষ করে সম্প্রতি মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টের হাতে ৩৭ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক রেনি গুডের হত্যার পর এই বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভকারীরা ‘নো আইস, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানের নিন্দা জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন, এই অভিযানগুলো মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং মার্কিন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

বিশেষ করে মিনিয়াপলিসে ৭ জানুয়ারি এক অভিবাসন অভিযানের সময় রেনি গুডকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার এবং শোষণ বেড়েই চলেছে।

ওহিও, নর্থ ক্যারোলিনা, নিউ মেক্সিকো, সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটেলসহ অন্যান্য শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নও এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা আইস সন্ত্রাস বন্ধ করার দাবি জানায় এবং অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোর ভয়াবহ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

ফেডারেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে একাধিক ডিটেনশন ক্যাম্পে অন্তত তিনজন আটক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ আমেরিকান নাগরিক এই অভিযানের বিরুদ্ধে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়ন করা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, এবং তারা শুধু সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করছেন। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ এই ইঙ্গিত দেয় যে, জনগণের মধ্যে এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে।

ট্যাগস :

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১২:২১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নেন। প্রতিবাদকারীরা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন, বিশেষ করে সম্প্রতি মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টের হাতে ৩৭ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক রেনি গুডের হত্যার পর এই বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভকারীরা ‘নো আইস, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানের নিন্দা জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন, এই অভিযানগুলো মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং মার্কিন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

বিশেষ করে মিনিয়াপলিসে ৭ জানুয়ারি এক অভিবাসন অভিযানের সময় রেনি গুডকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার এবং শোষণ বেড়েই চলেছে।

ওহিও, নর্থ ক্যারোলিনা, নিউ মেক্সিকো, সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটেলসহ অন্যান্য শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নও এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা আইস সন্ত্রাস বন্ধ করার দাবি জানায় এবং অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোর ভয়াবহ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

ফেডারেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে একাধিক ডিটেনশন ক্যাম্পে অন্তত তিনজন আটক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ আমেরিকান নাগরিক এই অভিযানের বিরুদ্ধে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়ন করা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, এবং তারা শুধু সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করছেন। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ এই ইঙ্গিত দেয় যে, জনগণের মধ্যে এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে।