ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo উত্তরায় গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত Logo কোটা সংস্কারের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে সরকার: আইনমন্ত্রী Logo মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ Logo ঢাকার সঙ্গে সব জেলার যোগাযোগ বন্ধ, টার্মিনাল থেকে ছাড়ছে না কোনো বাস Logo ছাত্রলীগের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, ঢাকা চট্টগ্রামে ও রংপুরে ৫ জন নিহত Logo কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ, সারাদেশে নিহত ৫ Logo ডেসকো’র উদ্যোগে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন Logo র‍্যাংগস ই-মার্ট এনেছে এলজির নতুন ও এলইডি সি থ্রি সিরিজ ২০২৪ Logo বিদ্যুতের খুঁটিতে আটকা আঞ্চলিক দুই মহাসড়কের কাজ, দুর্ভোগ-ভোগান্তি Logo কোটা আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার ইচ্ছা নেই: ওবায়দুল কাদের

টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ, বাঁচতে চায় শিশু জাভেদ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৭ বার পঠিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
১২ বছরের শিশু জাভেদ। জাহাঙ্গীর কবিরাজ ও আঞ্জুয়ারা বেগম দম্পত্বির ২ মেয়ে ১ ছেলের মধ্যে সবার ছোট জাভেদ। মাত্র আড়াই বছর বয়সে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পরে জাভেদের। এর পর থেকে জাভেদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে বাড়ি, জমি, অর্থ সব হারিয়ে নিঃস্ব পুরো পরিবারটি। টাকার অভাবে গত দেড় বছর ধরে সব ধরনের চিকিৎসা বন্ধ জাভেদের। এখন চোখেও ইনফেকশন হওয়ায় নস্ট হতে চলছে জাভেদের দৃষ্টি শক্তিও।
জাভেদের বাড়ি ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের দয়রামপুর গ্রামে। বাবা জাহাঙ্গীর ভাগ্য পরিবর্তমের জন্যে ইরাকে গিয়েছিলেন। সেখানে মাত্র ২০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতেন একটি কোম্পানীতে। ছেলের এই অবস্থায় দেশে ফিরলে বেকার হয়ে পরবেন তাই ফিরেননি তিনি। কিন্তু এখন ইরাকে তিনি অবৈধ হয়ে যাওয়ায়, চাকরীও চলে গেছে জাহাঙ্গীরের। গত কয়েক মাস যাবৎ পরিবারকে সংসার খরচও দিতে পারছেন না, পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ইরাকে।চোখের সামনে ছেলের কষ্ট পাওয়ার দৃশ্য দেখে আর চিকিৎসা না করাতে পারার বেদনায় মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে জাভেদের মা আঞ্জুয়ারা। কথা হয় জাভেদের খালা স্বপ্নার সাথে।
তিনি জানান, এখন কোন ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে তার ভিজিট দেয়া, একটা ঔষধ কিনা বা একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর জন্য কোন অর্থই নেই আমাদের। চোখের সামনে দেখছি একটা ফুটফুটে ছেলে মৃত্যুর দিকে চলে যাচ্ছে, ন্যূনতম চিকিৎসাটাও করাতে পারছি না। পারিবারিক সূত্র জানায়, জন্মের পর থেকেই জাভেদের জ্বর ঠান্ডা কখনোই সারতো না। পরে ফরিদপুরের এক শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ঢাকায় নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করালে জাভেদের শরীরে ব্লাড ক্যান্সারের জীবানু ধরা পরে। তখন জাভেদের বয়স আড়াই বছর। টাকার অভাবে গত দেড় বছর যাবত চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে জাভেদের। সর্বশেষ দেখানো চিকিৎসক জানিয়েছিল ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন জাভেদের চিকিৎসার জন্য। এত টাকাও তাদের নেই তাই চিকিৎসাও নেই। কিন্তু সম্প্রতী জাভেদের চোখে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে, আর এতে ধীরে ধীরে দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলছে জাভেদ। ছেলের এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে পরিবারের সদস্যরা এসেছিলেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবে। তাদের আশা সাংবাদিকরা অসহায় জাভেদের কথা তুলে ধরলে, দেশের হৃদয়বান মানুষদের নজরে আসলে নিশ্চয়ই জাভেদের চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
দেশ ও প্রবাসের হৃদয়বান ভাই, বন্ধু, স্বজন সকলের কাছে আবেদন রাখছি, আসুন সবাই মিলে জাভেদের পাশে দাড়াই। আপনাদের সকলের একটু একটু ভালবাসাই সুস্থ করে তুলতে পারে জাভেদকে।
জাভেদকে সহায়তা পাঠাতে জাভেদের মায়ের মোবাইলে(বিকাশ) ০১৭৮১৩৪৬২৬০ অথবা ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক ও যমুনা টিভির জেলা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম হিমেলের মোবাইলে (বিকাশ) ০১৭২৫৩৬৫৭৭২ যোগাযোগ করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।

টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ, বাঁচতে চায় শিশু জাভেদ

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
১২ বছরের শিশু জাভেদ। জাহাঙ্গীর কবিরাজ ও আঞ্জুয়ারা বেগম দম্পত্বির ২ মেয়ে ১ ছেলের মধ্যে সবার ছোট জাভেদ। মাত্র আড়াই বছর বয়সে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পরে জাভেদের। এর পর থেকে জাভেদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে বাড়ি, জমি, অর্থ সব হারিয়ে নিঃস্ব পুরো পরিবারটি। টাকার অভাবে গত দেড় বছর ধরে সব ধরনের চিকিৎসা বন্ধ জাভেদের। এখন চোখেও ইনফেকশন হওয়ায় নস্ট হতে চলছে জাভেদের দৃষ্টি শক্তিও।
জাভেদের বাড়ি ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের দয়রামপুর গ্রামে। বাবা জাহাঙ্গীর ভাগ্য পরিবর্তমের জন্যে ইরাকে গিয়েছিলেন। সেখানে মাত্র ২০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতেন একটি কোম্পানীতে। ছেলের এই অবস্থায় দেশে ফিরলে বেকার হয়ে পরবেন তাই ফিরেননি তিনি। কিন্তু এখন ইরাকে তিনি অবৈধ হয়ে যাওয়ায়, চাকরীও চলে গেছে জাহাঙ্গীরের। গত কয়েক মাস যাবৎ পরিবারকে সংসার খরচও দিতে পারছেন না, পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ইরাকে।চোখের সামনে ছেলের কষ্ট পাওয়ার দৃশ্য দেখে আর চিকিৎসা না করাতে পারার বেদনায় মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে জাভেদের মা আঞ্জুয়ারা। কথা হয় জাভেদের খালা স্বপ্নার সাথে।
তিনি জানান, এখন কোন ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে তার ভিজিট দেয়া, একটা ঔষধ কিনা বা একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর জন্য কোন অর্থই নেই আমাদের। চোখের সামনে দেখছি একটা ফুটফুটে ছেলে মৃত্যুর দিকে চলে যাচ্ছে, ন্যূনতম চিকিৎসাটাও করাতে পারছি না। পারিবারিক সূত্র জানায়, জন্মের পর থেকেই জাভেদের জ্বর ঠান্ডা কখনোই সারতো না। পরে ফরিদপুরের এক শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ঢাকায় নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করালে জাভেদের শরীরে ব্লাড ক্যান্সারের জীবানু ধরা পরে। তখন জাভেদের বয়স আড়াই বছর। টাকার অভাবে গত দেড় বছর যাবত চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে জাভেদের। সর্বশেষ দেখানো চিকিৎসক জানিয়েছিল ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন জাভেদের চিকিৎসার জন্য। এত টাকাও তাদের নেই তাই চিকিৎসাও নেই। কিন্তু সম্প্রতী জাভেদের চোখে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে, আর এতে ধীরে ধীরে দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলছে জাভেদ। ছেলের এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে পরিবারের সদস্যরা এসেছিলেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবে। তাদের আশা সাংবাদিকরা অসহায় জাভেদের কথা তুলে ধরলে, দেশের হৃদয়বান মানুষদের নজরে আসলে নিশ্চয়ই জাভেদের চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
দেশ ও প্রবাসের হৃদয়বান ভাই, বন্ধু, স্বজন সকলের কাছে আবেদন রাখছি, আসুন সবাই মিলে জাভেদের পাশে দাড়াই। আপনাদের সকলের একটু একটু ভালবাসাই সুস্থ করে তুলতে পারে জাভেদকে।
জাভেদকে সহায়তা পাঠাতে জাভেদের মায়ের মোবাইলে(বিকাশ) ০১৭৮১৩৪৬২৬০ অথবা ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক ও যমুনা টিভির জেলা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম হিমেলের মোবাইলে (বিকাশ) ০১৭২৫৩৬৫৭৭২ যোগাযোগ করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।