ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আফটার-সেলসে রিয়েলমির নতুন মানদণ্ডঃ এক্সক্লুসিভ ‘১ আওয়ার সার্ভিস Logo অপরাধ জগতের গটফাদার মোল্লা কাউসার ব্যারের হাতে গ্রেফতার। Logo বেতন-ভাতা দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রমিকদের আন্দোলনের Logo নাহিদ রানার ঝড়: পাকিস্তানের পাঁচ উইকেট একাই তুলে নিলেন বাংলাদেশের পেস মাস্টার Logo জাইমা রহমান আজ মিরপুরে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে Logo ‘ব্যর্থ প্রেমের’ নায়ক বাপ্পারাজের জন্মদিন উদযাপন Logo হিরো আলম জামিনের পর সাংবাদিকদের সামনে আসবেন Logo আগামীকাল সংসদে উপস্থিত থেকে ভাষণ দিবেন রাষ্ট্রপতি Logo বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে মিরপুরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Logo ইরানের দাবি: যুক্তরাষ্ট্র তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ৫১ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ০৩.০৩.২০২৬ ।।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোটসংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত জানতে চেয়েছেন—এসব পদক্ষেপ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না। এ বিষয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুল জারি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। আবেদনকারীদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ। অপরদিকে রিটের বিরোধিতায় ছিলেন এনসিপির আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং জামায়াতের পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনির ও ইমরান এ সিদ্দিক। এর আগে এ বিষয়ে দায়ের করা পৃথক দুটি রিটের শুনানি শেষ হয়। রিটগুলোতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিলের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণকে অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়। আবেদন দুটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও গাজী মো. মাহবুব আলম। এ ছাড়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণার আবেদন জানিয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়, যেখানে সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। ওই রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

ট্যাগস :

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় : ০৩:২৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ০৩.০৩.২০২৬ ।।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোটসংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত জানতে চেয়েছেন—এসব পদক্ষেপ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না। এ বিষয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুল জারি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। আবেদনকারীদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ। অপরদিকে রিটের বিরোধিতায় ছিলেন এনসিপির আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং জামায়াতের পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনির ও ইমরান এ সিদ্দিক। এর আগে এ বিষয়ে দায়ের করা পৃথক দুটি রিটের শুনানি শেষ হয়। রিটগুলোতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিলের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণকে অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়। আবেদন দুটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও গাজী মো. মাহবুব আলম। এ ছাড়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণার আবেদন জানিয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়, যেখানে সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। ওই রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।