ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নলছিটির মোল্লারহাট-হদুয়া চৌমাথা সড়কের বেহাল দশা, সংস্কারে আশ্বাস দিলেন এমপি ইলেন ভুট্টা Logo গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানা থেকে কমপ্রেসর ও পাইপ জব্দ Logo সিএমপির ডিবি বন্দর বিভাগের অভিযানে ৪০ লাখ টাকার আত্মসাৎকৃত ক্রোকারিজ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo নওগাঁ চেম্বারের নবায়ন ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ জরুরি সাধারণ সভা ও নির্বাচন দাবিতে প্রশাসকের কাছে ব্যবসায়ীদের আবেদন Logo রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর Logo নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পাকিস্তান বিধ্বস্ত, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ Logo ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে হাজার কোটি টাকার প্রত্নসম্পদের রহস্য, আসল সরিয়ে রাখা হয়েছে নকল Logo জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে কমছে ইলিশ, বলছেন গবেষকরা Logo ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ Logo শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ

জীবনব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু ছিলেন শান্তির অন্বেষণে নিবেদিত: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩ ২০৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জীবনব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন শান্তির অন্বেষণে নিবেদিত।

তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কলকাতার ভয়াবহ দাঙ্গায় অসহায় ও বিপন্ন মানুষকে বাঁচাতে নির্ভয়ে ছুটে গিয়েছিলেন। একজন তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে, তিনি প্রতিনিধি হিসেবে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে যোগদান করেন। ১৯৫৬ সালে বিশ্ব শান্তি পরিষদের স্টকহোম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য এক দশকেরও বেশি সময় জেলে ছিলেন এবং পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি লন্ডনে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনেই ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ শান্তির এই বাণী ঘোষণা করেছেন। শান্তির এই প্রতিপাদ্যই সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। তিনি এশিয়া-আফ্রিকা-ল্যাটিন আমেরিকাসহ সকল স্বাধীনতাকামী জনগণকে সর্বদা সমর্থন দিয়েছেন এবং দৃঢ় কণ্ঠে শোষিতদের পক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জুলিও কুরি শান্তিপদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং সেই সঙ্গে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করছে জেনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা এনে দিয়ে দেশবাসীর কাছে তিনি যেমন বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা হিসেবে বরেণ্য হয়েছেন, তেমনি শান্তির পক্ষে তার আপসহীন অবস্থান তাকে বিশ্ববাসীর কাছে মর্যাদার আসনে পরিণত করেছে। শান্তি ও স্বাধীনতার লক্ষ্যে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করা হয়েছে। নেলসন ম্যান্ডেলা, ফিদেল ক্যাস্ট্রো, জওহরলাল নেহেরু, গামাল আবদেল নাসের, পাবলো নেরুদা, মার্টিন লুথার কিং, ইয়াসির আরাফাত, লিওনিড ব্রেজনেভ প্রমুখ বিখ্যাত জুলিও কুরি পদকপ্রাপ্তদের তালিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম যুক্ত হওয়াই প্রমাণ করে যে, বিশ্ববাসীর চোখে আমাদের জাতির পিতার সম্মান ও মর্যাদা হিমালয়সম উচ্চতায় অধিষ্ঠিত।

তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদকের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিশেষ করে এই স্মারক প্রকাশের সঙ্গে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানান। বিশ্ব শান্তির প্রবক্তা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আরও নিবিড়ভাবে জানতে এই স্মরণিকা কাজে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

জীবনব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু ছিলেন শান্তির অন্বেষণে নিবেদিত: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জীবনব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন শান্তির অন্বেষণে নিবেদিত।

তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কলকাতার ভয়াবহ দাঙ্গায় অসহায় ও বিপন্ন মানুষকে বাঁচাতে নির্ভয়ে ছুটে গিয়েছিলেন। একজন তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে, তিনি প্রতিনিধি হিসেবে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে যোগদান করেন। ১৯৫৬ সালে বিশ্ব শান্তি পরিষদের স্টকহোম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য এক দশকেরও বেশি সময় জেলে ছিলেন এবং পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি লন্ডনে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনেই ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ শান্তির এই বাণী ঘোষণা করেছেন। শান্তির এই প্রতিপাদ্যই সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। তিনি এশিয়া-আফ্রিকা-ল্যাটিন আমেরিকাসহ সকল স্বাধীনতাকামী জনগণকে সর্বদা সমর্থন দিয়েছেন এবং দৃঢ় কণ্ঠে শোষিতদের পক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জুলিও কুরি শান্তিপদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং সেই সঙ্গে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করছে জেনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা এনে দিয়ে দেশবাসীর কাছে তিনি যেমন বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা হিসেবে বরেণ্য হয়েছেন, তেমনি শান্তির পক্ষে তার আপসহীন অবস্থান তাকে বিশ্ববাসীর কাছে মর্যাদার আসনে পরিণত করেছে। শান্তি ও স্বাধীনতার লক্ষ্যে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করা হয়েছে। নেলসন ম্যান্ডেলা, ফিদেল ক্যাস্ট্রো, জওহরলাল নেহেরু, গামাল আবদেল নাসের, পাবলো নেরুদা, মার্টিন লুথার কিং, ইয়াসির আরাফাত, লিওনিড ব্রেজনেভ প্রমুখ বিখ্যাত জুলিও কুরি পদকপ্রাপ্তদের তালিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম যুক্ত হওয়াই প্রমাণ করে যে, বিশ্ববাসীর চোখে আমাদের জাতির পিতার সম্মান ও মর্যাদা হিমালয়সম উচ্চতায় অধিষ্ঠিত।

তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদকের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিশেষ করে এই স্মারক প্রকাশের সঙ্গে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানান। বিশ্ব শান্তির প্রবক্তা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আরও নিবিড়ভাবে জানতে এই স্মরণিকা কাজে আসবে বলে তিনি মনে করেন।