জিএসপি সুবিধা পাওয়ার আশা বাণিজ্য উপদেষ্টার
- আপডেট সময় : ০২:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৪ ১৪২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।
জিএসপি সুবিধা পাওয়ার আশা ব্যক্ত করে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, দেশের লেবার রাইটসের বিষয়গুলো কমপ্লায়েন্স করতে পারলে আমরা অবশ্যই জিএসপি সুবিধা পাবো।
আজ রোববার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক শ্রমবিষয়ক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিশেষ প্রতিনিধি কেলি এম. ফে রদ্রিগেজ এর নেতৃত্বে ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য সচিব মো. সেলিম উদ্দিন, মার্কিন দূতাবাসের প্রধান মেগান বোল্ডিংসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, লেবার রাইটসকে আরও যুগোপযোগী করাসহ শ্রমিকের অধিকার নিয়ে আমরা যে ১১ দফা কর্মসূচি আছে সেটা বাস্তবায়নে আমরা বিশদ আলোচনা করেছি। আমরা কত দ্রুত এই ১১ দফা বাস্তবায়ন করতে পারি সেটাই মূলত আলোচনা হয়েছে।
১১ দফায় কি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা পেতে গেলে আমাদের লেবার রাইটসের বিষয়ে যে জিনিসগুলো (একটি প্রতিষ্ঠানে আই. এল. ও কনভেনশন, দেশের প্রচলিত শ্রম ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক আইন, বায়ার আচরণবিধি কোম্পানির নিজস্ব নিয়ম-কানুন) আছে সেগুলো কমপ্লায়েন্স করতে হবে। সেটা করতে পারলে আমরা অবশ্যই জিএসপি সুবিধা পাবো বলে আশা রাখি।
এ সময় বাণিজ্য সচিব বলেন, এ বিষয়ে শ্রম মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মূলত শ্রমিকের জীবন-যাপন, মানোন্নয়ন এবং ইউনিয়ন অ্যাক্টিভিটিস করার জন্য এগুলো করা হচ্ছে। আমরা সবাই এক লাইনেই কাজ করছি। আজকে তারা নিয়মিত ভিজিটের অংশ হিসেবে এখানে এসেছে। আমরা আমাদের দিক থেকে কীভাবে ট্রেড বাড়ানো, মার্কেট এক্সেস বাড়ানোর জন্য তাদের তাগিদ দিয়েছি। তারা এ বিষয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে তারা শ্রমিকদের লেবার রাইটস ইস্যু, নিরাপত্তা, ন্যূনতম মজুরিসহ অন্যান্য বিষয়ে নজর দিতে বলেছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার অনেক সংস্কার কাজে হাত দিয়েছে, লেবারখাতেও সংস্কার করার জন্য আলাদা একটি টিম কাজ করছে। এখানে শ্রম, পররাষ্ট্র, বাণিজ্য, অর্থ ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়সহ সকলে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। মূলত তারা লেবার রাইটস ও লেবার ইউনিয়ন সংক্রান্ত ইস্যু নিয়েই আসছে। আর আমরা আমেরিকার অর্থনীতিতে আমাদের শুল্ক মুক্ত বাজার সুবিধা বাড়ানোর কথা বলেছি।
তৈরিপোশাক খাতের অস্থিরতা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে তারা এ খাতকে আরও কীভাবে মানোন্নয়ন করা যায়, সেক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, জিএসপি ছাড়াও বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি হয় আমেরিকার বাজারে। আমরা ডিউটি ফ্রি, কোটা ফ্রি যে সুবিধাটা ইউরোপীয় ইউনিয়নে পাচ্ছি সেটা আমরা সব জায়গায় চাচ্ছি। তাদের বলেছি কিন্তু এরা সেই লাইনে কোনো কথা বলে না। তবে আমরা সে সুবিধাটা চেয়েছি। আমরা আমাদের অবস্থানের কথা জানিয়েছি।

















