ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল 

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪ ২৮ বার পঠিত
ইউসূফ জামিল,  জাবি প্রতিনিধি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২৪ সেশনের (৫৩তম আবর্তন) ভর্তিতে শিক্ষার্থী কল্যাণ ফি বাতিল, নতুন ভবন নির্মাণে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করাসহ ৩ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম ‘ জাহাঙ্গীরনগর বাঁচাও আন্দোলন’।
বুধবার (২০ মার্চ) দুপুর ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে একটি মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে মানববন্ধন করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধনে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী জাবি শাখার সংগঠক সোমা ডুমরির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা তিনটি দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবি তিনটি হলো, বিভাগগুলোকে প্রাপ্য টাকা বুঝিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থী কল্যাণ ফি বাতিল করতে হবে, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন ও অটোমেশন চালু করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ২৭০ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত পাঠাতে হবে।
মানববন্ধনে ছাত্র ইউনিয়নের জাবি সংসদের (একাংশ) সহ-সভাপতি আশফার রহমান নবীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে এখন নতুন নতুন মোড়কে ফি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু এই মোটা অঙ্কের ফি নিম্নবিত্ত ও মেহনতি মানুষের বহন করা কষ্টসাধ্য। আমার মনে করি, প্রশাসনের অতিরিক্ত ফি আদায় দুরভিসন্ধিমূলক প্রচেষ্টা। যার মাধ্যমে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সংগঠক সজিব আহম্মেদ জেনিচ বলেন, ‘নামে-বেনামে ফি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বর্তমানে ভর্তিতে অতিরিক্ত ৬ হাজার টাকা নেওয়ার ফলে ১৪ হাজার টাকার বেশি ভর্তি ফি দাঁড়িয়েছে৷ এর মূল কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলো বিভাগ উন্নয়ন পায় না, সেজন্য তারা এই উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নিচ্ছে। আবার স্বাস্থ্যবিমার জন্যও আলাদা ফি নিচ্ছে। কিন্তু একজন শিক্ষার্থী আদৌ স্বাস্ব্যবীমা করবে কি করবে না সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু প্রশাসন কিভাবে জোরপূর্বক ফি চাপিয়ে দেয়? এভাবে তারা বিভিন্ন নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল 

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪
ইউসূফ জামিল,  জাবি প্রতিনিধি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২৪ সেশনের (৫৩তম আবর্তন) ভর্তিতে শিক্ষার্থী কল্যাণ ফি বাতিল, নতুন ভবন নির্মাণে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করাসহ ৩ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম ‘ জাহাঙ্গীরনগর বাঁচাও আন্দোলন’।
বুধবার (২০ মার্চ) দুপুর ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে একটি মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে মানববন্ধন করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধনে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী জাবি শাখার সংগঠক সোমা ডুমরির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা তিনটি দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবি তিনটি হলো, বিভাগগুলোকে প্রাপ্য টাকা বুঝিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থী কল্যাণ ফি বাতিল করতে হবে, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন ও অটোমেশন চালু করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ২৭০ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত পাঠাতে হবে।
মানববন্ধনে ছাত্র ইউনিয়নের জাবি সংসদের (একাংশ) সহ-সভাপতি আশফার রহমান নবীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে এখন নতুন নতুন মোড়কে ফি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু এই মোটা অঙ্কের ফি নিম্নবিত্ত ও মেহনতি মানুষের বহন করা কষ্টসাধ্য। আমার মনে করি, প্রশাসনের অতিরিক্ত ফি আদায় দুরভিসন্ধিমূলক প্রচেষ্টা। যার মাধ্যমে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সংগঠক সজিব আহম্মেদ জেনিচ বলেন, ‘নামে-বেনামে ফি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বর্তমানে ভর্তিতে অতিরিক্ত ৬ হাজার টাকা নেওয়ার ফলে ১৪ হাজার টাকার বেশি ভর্তি ফি দাঁড়িয়েছে৷ এর মূল কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলো বিভাগ উন্নয়ন পায় না, সেজন্য তারা এই উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নিচ্ছে। আবার স্বাস্থ্যবিমার জন্যও আলাদা ফি নিচ্ছে। কিন্তু একজন শিক্ষার্থী আদৌ স্বাস্ব্যবীমা করবে কি করবে না সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু প্রশাসন কিভাবে জোরপূর্বক ফি চাপিয়ে দেয়? এভাবে তারা বিভিন্ন নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।’