ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী Logo বেনজীরকে ফেরাতে দুদকের ৬ মামলার নথি যাচ্ছে দুবাই Logo ফুলবাড়িয়ায় মলঙ্গী খাল পুনঃখননে নতুন প্রাণ ফিরছে রাধাকানাইয়ের কৃষি ও জনজীবনে: Logo ইরান চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে শুক্রবার: ট্রাম্প Logo দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিললেও তা প্রত্যাখ্যান করি: জাহেদ উর রহমান Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে নজরে থাকবেন যারা, মেসি থেকে মাহরেজ পর্যন্ত Logo রাজাপুর বড়ইয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ

জবি ক্যাম্পাসে কাজী অফিসের সাইনবোর্ড, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩ ১৯৪ বার পঠিত

সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসের ভিতরে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কাজী অফিসের ডিজিটাল সাইনবোর্ড স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। ক্যাম্পাসের মধ্যে এমন সাইনবোর্ড দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। দ্রুত বোর্ডটি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের গেইটের ভিতরে শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ভবনের পাশে স্থাপন করা হয়েছে কাজী অফিসের বিশাল ডিজিটাল সাইনবোর্ড।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্যাম্পাসের ভিতরে কোনো বিজ্ঞাপন বা বিলবোর্ড লাগানোর অনুমতি নেওয়ার নিয়ম থাকলেও কাজী অফিসের বিশাল বড় এই সাইনবোর্ড স্থাপনে নেওয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো অনুমতি। শাঁখারীবাজার কাজী অফিস কর্তৃপক্ষ এই সাইনবোর্ড লাগিয়েছে বলে জানা গেছে। কাজী অফিস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অনুমতি নেওয়ার দাবি জানানো হলেও তা নাকচ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে অনুমতি ছাড়াই এ ধরণের ডিজিটাল সাইনবোর্ড লাগানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী সানজিদা মাহমুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ক্যাম্পাসের মধ্যে কাজী অফিসের এতো বড় একটা সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এটা সত্যিই হাস্যকর একটা ব্যাপার। প্রশাসন অনুমতি দিয়েছে কিনা জানিনা। দ্রুত সরিয়ে ফেলার দাবি জানাচ্ছি।

নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন বলেন, একটা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে কাজী অফিসের এতো বড় ডিজিটাল সাইনবোর্ড লাগানো হলো। বিশ্ববিদ্যালয় এখন বিজ্ঞাপন বুথ হয়ে যাচ্ছে। ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত এটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে জানতে সাইনবোর্ডে দেওয়া নাম্বারে কল দেওয়া হলে কাজীর সহকারী পরিচয় দিয়ে ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ নামের একজন ফোন ধরে বলেন, ‘যে ভবনের দেয়ালে বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে সেই ভবনেই আমাদের অফিস। প্রক্টর স্যারের সাথে আমি কথা বলেছিলাম। তিনি অনুমতি দেননি। পরে আমরা ভেবেছিলাম সেখানে সাইনবোর্ড লাগাতে আলাদা করে অনুমতি নেওয়া লাগবেনা। তাই ভবনের মালিককে বলেছিলাম বিলবোর্ড লাগানোর কথা। আমরা প্রশাসনের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ভিতরে কোনো ধরণের বিলবোর্ড বা সাইনবোর্ড লাগানোর সুযোগ নেই। আমরা কোনো কোনো ধরণের অনুমতি দেইনি। বিলবোর্ডটি দ্রুত সরিয়ে ফেলতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জবি ক্যাম্পাসে কাজী অফিসের সাইনবোর্ড, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৭:০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩

সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসের ভিতরে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কাজী অফিসের ডিজিটাল সাইনবোর্ড স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। ক্যাম্পাসের মধ্যে এমন সাইনবোর্ড দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। দ্রুত বোর্ডটি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের গেইটের ভিতরে শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ভবনের পাশে স্থাপন করা হয়েছে কাজী অফিসের বিশাল ডিজিটাল সাইনবোর্ড।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্যাম্পাসের ভিতরে কোনো বিজ্ঞাপন বা বিলবোর্ড লাগানোর অনুমতি নেওয়ার নিয়ম থাকলেও কাজী অফিসের বিশাল বড় এই সাইনবোর্ড স্থাপনে নেওয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো অনুমতি। শাঁখারীবাজার কাজী অফিস কর্তৃপক্ষ এই সাইনবোর্ড লাগিয়েছে বলে জানা গেছে। কাজী অফিস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অনুমতি নেওয়ার দাবি জানানো হলেও তা নাকচ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে অনুমতি ছাড়াই এ ধরণের ডিজিটাল সাইনবোর্ড লাগানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী সানজিদা মাহমুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ক্যাম্পাসের মধ্যে কাজী অফিসের এতো বড় একটা সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এটা সত্যিই হাস্যকর একটা ব্যাপার। প্রশাসন অনুমতি দিয়েছে কিনা জানিনা। দ্রুত সরিয়ে ফেলার দাবি জানাচ্ছি।

নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন বলেন, একটা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে কাজী অফিসের এতো বড় ডিজিটাল সাইনবোর্ড লাগানো হলো। বিশ্ববিদ্যালয় এখন বিজ্ঞাপন বুথ হয়ে যাচ্ছে। ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত এটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে জানতে সাইনবোর্ডে দেওয়া নাম্বারে কল দেওয়া হলে কাজীর সহকারী পরিচয় দিয়ে ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ নামের একজন ফোন ধরে বলেন, ‘যে ভবনের দেয়ালে বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে সেই ভবনেই আমাদের অফিস। প্রক্টর স্যারের সাথে আমি কথা বলেছিলাম। তিনি অনুমতি দেননি। পরে আমরা ভেবেছিলাম সেখানে সাইনবোর্ড লাগাতে আলাদা করে অনুমতি নেওয়া লাগবেনা। তাই ভবনের মালিককে বলেছিলাম বিলবোর্ড লাগানোর কথা। আমরা প্রশাসনের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ভিতরে কোনো ধরণের বিলবোর্ড বা সাইনবোর্ড লাগানোর সুযোগ নেই। আমরা কোনো কোনো ধরণের অনুমতি দেইনি। বিলবোর্ডটি দ্রুত সরিয়ে ফেলতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’