গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে প্রশ্নফাঁসের কোনো সাক্ষ্য মেলেনি: শিক্ষা অধিদপ্তর
- আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৮৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ শুরুর পর এক মাসের তদন্ত শেষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে কোনো প্রমাণ মেলেনি। এর ফলে, পরীক্ষায় কোনো অনিয়ম হয়নি এবং ফলাফল শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান আজ (২১ জানুয়ারি) বিকেলে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানান, ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলার ১,৪০৮টি কেন্দ্রে একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে ১৪,৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়েছিল এবং ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক (ডিসি), জেলা পুলিশ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সার্বিক সহায়তায় পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। কোনো জেলা থেকেই পরীক্ষার সময় কোনো প্রকার অনিয়মের খবর পাওয়া যায়নি। তবে, পরীক্ষার সময় অসদুপায় অবলম্বন এবং ডিভাইস ব্যবহারের কারণে দুই শতাধিক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এছাড়া, ১১ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে প্রশ্নফাঁসসহ অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে দেড় শতাধিক ব্যক্তি স্মারকলিপি দেন। গোয়েন্দা সংস্থা তাদের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে এবং প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তে কোনো ধরনের প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মেলেনি।
এতে এখন আর কোনো বিতর্ক নেই এবং ফলাফল শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
























