ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজাপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি রফিকুল ইসলাম জামাল। Logo শাওমি নিয়ে এলো লাইকা-পাওয়ারড ট্রিপল ক্যামেরার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘শাওমি ১৭টি’ Logo ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত Logo এলজিইডি কার্যালয়ে উপ-সহকারীকে মারল ঠিকাদার:ঘটনাকে তুচ্ছ বললেন নির্বাহী প্রকৌশলী Logo ইনফিনিক্সের ‘ফুটবল ফিয়েস্তা’য় নিশ্চিত ক্যাশব্যাক ও মেগা পুরস্কার Logo প্রযুক্তিভিত্তিক সেবায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও নগরজীবনের নতুন সম্ভাবনা গড়ছে বি-ট্র্যাক সলিউশন্স Logo শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে রাজাপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত Logo হুয়াওয়ে মোবাইল আবার ফিরলো নতুন রূপে, মোবাইলসহ ১৩ ডিভাইস নিয়ে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু Logo শাওমি নিয়ে এলো ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ Logo

গাজায় ব্যাপক অভিযান ইসরায়েলের, নিহত আরও শতাধিক

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫ ৩২২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজায় আরও ব্যাপক অভিযান চলছে। গত ২৪ ঘন্টা ধরে সেখানে ব্যাপক আক্রমণ চালানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দখলদার সেনারা গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো দখলের চেষ্টা করছে। শুক্রবার ভোর থেকে গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ১১৫ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে উত্তর গাজার কিছু অংশ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৩ হাজার ১১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং এক লাখ ১৯ হাজার ৯১৯ জন আহত হয়েছেন। যদিও সরকার পরিচালিত মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং ধারণা করা হচ্ছে তারাও মারা গেছেন। ফলে মোট নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি বলে দাবি করা হয়েছে।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলায় ইসরায়েলে আনুমানিক এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০ জনের বেশি মানুষকে জিম্মি করে নেওয়া হয়। এরপরেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। সেখানে অভিযানের নামে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে।এদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় বসবাসরত প্রায় ২১ লাখ ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষের ‘গুরুতর ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ-সমর্থিত খাদ্য নিরাপত্তা মূল্যায়ন বিষয়ক সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি)।ইসরায়েলের অব্যাহত অবরোধের মুখে ত্রাণ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা ঢুকতে না পারার কারণে সেখানকার বাসিন্দারা চরম খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংস্থাটি।ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন বা আইপিসি মূলত জাতিসংঘ, দাতা সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের সরকারের সমন্বয়ে পরিচালিত একটি সংস্থা, যাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহল একটি এলাকায় দুর্ভিক্ষ হতে যাচ্ছে কি-না, সেটার প্রাথমিক মূল্যায়ন করে থাকে।বর্তমানে সেখানে দুর্ভিক্ষ শুরু না হলেও পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে যে, ইসরায়েল এবং হামাসের দুই মাসের যুদ্ধবিরতিতে গাজায় সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। কিন্তু দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে নতুন করে যে বৈরিতা দেখা যাচ্ছে, সেটা গাজাবাসীকে পুনরায় উদ্বিগ্ন করে তুলছে।

ট্যাগস :

গাজায় ব্যাপক অভিযান ইসরায়েলের, নিহত আরও শতাধিক

আপডেট সময় : ০২:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজায় আরও ব্যাপক অভিযান চলছে। গত ২৪ ঘন্টা ধরে সেখানে ব্যাপক আক্রমণ চালানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দখলদার সেনারা গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো দখলের চেষ্টা করছে। শুক্রবার ভোর থেকে গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ১১৫ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে উত্তর গাজার কিছু অংশ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৩ হাজার ১১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং এক লাখ ১৯ হাজার ৯১৯ জন আহত হয়েছেন। যদিও সরকার পরিচালিত মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং ধারণা করা হচ্ছে তারাও মারা গেছেন। ফলে মোট নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি বলে দাবি করা হয়েছে।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলায় ইসরায়েলে আনুমানিক এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০ জনের বেশি মানুষকে জিম্মি করে নেওয়া হয়। এরপরেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। সেখানে অভিযানের নামে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে।এদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় বসবাসরত প্রায় ২১ লাখ ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষের ‘গুরুতর ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ-সমর্থিত খাদ্য নিরাপত্তা মূল্যায়ন বিষয়ক সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি)।ইসরায়েলের অব্যাহত অবরোধের মুখে ত্রাণ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা ঢুকতে না পারার কারণে সেখানকার বাসিন্দারা চরম খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংস্থাটি।ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন বা আইপিসি মূলত জাতিসংঘ, দাতা সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের সরকারের সমন্বয়ে পরিচালিত একটি সংস্থা, যাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহল একটি এলাকায় দুর্ভিক্ষ হতে যাচ্ছে কি-না, সেটার প্রাথমিক মূল্যায়ন করে থাকে।বর্তমানে সেখানে দুর্ভিক্ষ শুরু না হলেও পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে যে, ইসরায়েল এবং হামাসের দুই মাসের যুদ্ধবিরতিতে গাজায় সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। কিন্তু দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে নতুন করে যে বৈরিতা দেখা যাচ্ছে, সেটা গাজাবাসীকে পুনরায় উদ্বিগ্ন করে তুলছে।