ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জনই বাস্তুচ্যুত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪ ২৯ বার পঠিত

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা উপত্যকায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জন অন্তত একবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। ফিলিস্তিনি অঞ্চলে জাতিসংঘের ওসিএইচএ সংস্থার প্রধান আন্দ্রেয়া ডি ডোমেনিকো বলেছেন, গাজায় প্রায় ১৯ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর এএফপির।

তিনি বলেন, আমরা অনুমান করছি যে, গাজা উপত্যকায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জনই অন্তত একবার অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এমনকি কারও কারও ক্ষেত্রে সেটা আরও বেশি বারও হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আগে অনুমান করেছিলাম এই সংখ্যা ১৭ লাখ হতে পারে। যেহেতু আমরা এখন রাফাহতে কাজ করি, এই সংখ্যা আরও বেশি। আমরা উত্তর গাজাতেও কাজ করছি। সেখানেও মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছে।

ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযান মানুষকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আশ্রয় নিতে বাধ্য করছে।

তিনি বলেন, এই সংখ্যার পেছনে রয়েছে এমন মানুষ যারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এবং নানা অভিযোগ রয়েছে। তাদেরও স্বপ্ন ও আশা আছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন করে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ জারি করার পর ফিলিস্তিনিরা গাজার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খান ইউনিসের পূর্ব অংশ থেকে পালাতে শুরু করেছে। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা মঙ্গলবার বলেছে যে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এই নতুন উচ্ছেদের আদেশের ফলে গাজার এক চতুর্থাংশ বা প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

গাজায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জনই বাস্তুচ্যুত

আপডেট সময় : ০১:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা উপত্যকায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জন অন্তত একবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। ফিলিস্তিনি অঞ্চলে জাতিসংঘের ওসিএইচএ সংস্থার প্রধান আন্দ্রেয়া ডি ডোমেনিকো বলেছেন, গাজায় প্রায় ১৯ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর এএফপির।

তিনি বলেন, আমরা অনুমান করছি যে, গাজা উপত্যকায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জনই অন্তত একবার অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এমনকি কারও কারও ক্ষেত্রে সেটা আরও বেশি বারও হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আগে অনুমান করেছিলাম এই সংখ্যা ১৭ লাখ হতে পারে। যেহেতু আমরা এখন রাফাহতে কাজ করি, এই সংখ্যা আরও বেশি। আমরা উত্তর গাজাতেও কাজ করছি। সেখানেও মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছে।

ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযান মানুষকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আশ্রয় নিতে বাধ্য করছে।

তিনি বলেন, এই সংখ্যার পেছনে রয়েছে এমন মানুষ যারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এবং নানা অভিযোগ রয়েছে। তাদেরও স্বপ্ন ও আশা আছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন করে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ জারি করার পর ফিলিস্তিনিরা গাজার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খান ইউনিসের পূর্ব অংশ থেকে পালাতে শুরু করেছে। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা মঙ্গলবার বলেছে যে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এই নতুন উচ্ছেদের আদেশের ফলে গাজার এক চতুর্থাংশ বা প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।