কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী বুলিং ও র্যাগিংয়ে জড়ালে শাস্তি
- আপডেট সময় : ০৪:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩ ১৬৭ বার পঠিত

নিজস্বক প্রতিনিধি:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে শাস্তি দিতে নীতিমালা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলায়মান খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই নীতির নাম হবে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধ-সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩’। প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন থেকে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করতে হবে। কোনো শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী বা ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে র্যাগিং বা বুলিংয়ে জড়িত থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে। যেখানে প্রযোজ্য, র্যাগিংয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র্যাগিংকে উৎসাহিত করে এমন কোনো কার্যক্রম/সমাবেশ/ইভেন্ট করা যাবে না। যেসব স্থানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র্যাগিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা করবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ (আবাসিক হলসহ) তাদের নিজ নিজ এখতিয়ারে বুলিং এবং র্যাগিংয়ের ঘটনাগুলি উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করবে; অন্যথায় নিষ্ক্রিয়তার জন্য দায়ী থাকবে। কর্তৃপক্ষ বুলিং ও র্যাগিংয়ের উদাহরণ ও পরিণতি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট এবং প্রাঙ্গণে পোস্টারের মাধ্যমে প্রচারণা চালাবে।
এ ছাড়া সবাইকে সচেতন করতে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ‘বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধ দিবস’ পালনসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুলিং ও র্যাগিংয়ের কুফল সম্পর্কিত সিনেমা, কার্টুন, টিভি সিরিজের প্রদর্শন, অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণের ব্যাপারে অনলাইন বিহেভিয়ার সম্পর্কিত কর্মশালা ইত্যাদিসহ সহপাঠ্যক্রমিক কর্মশালা আয়োজনের নিমিত্ত কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ নীতি কার্যকর হবে। ইতিমধ্যেই এই নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
























