ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নলছিটির মোল্লারহাট-হদুয়া চৌমাথা সড়কের বেহাল দশা, সংস্কারে আশ্বাস দিলেন এমপি ইলেন ভুট্টা Logo গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানা থেকে কমপ্রেসর ও পাইপ জব্দ Logo সিএমপির ডিবি বন্দর বিভাগের অভিযানে ৪০ লাখ টাকার আত্মসাৎকৃত ক্রোকারিজ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo নওগাঁ চেম্বারের নবায়ন ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ জরুরি সাধারণ সভা ও নির্বাচন দাবিতে প্রশাসকের কাছে ব্যবসায়ীদের আবেদন Logo রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর Logo নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পাকিস্তান বিধ্বস্ত, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ Logo ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে হাজার কোটি টাকার প্রত্নসম্পদের রহস্য, আসল সরিয়ে রাখা হয়েছে নকল Logo জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে কমছে ইলিশ, বলছেন গবেষকরা Logo ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ Logo শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ

কুমিল্লা শহরতলীর আওয়ামী লীগ কর্মীকে জবাই করে হত্যা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩ ৪০০ বার পঠিত

আলমগীর হোসেন আলম, কুমিল্লা ব্যুরো চীফ:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দূর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের আলেখাচরে আওয়ামী লীগ কর্মী এনামুল হককে জবাই করে হত্যা করেছে জামায়াত শিবির কর্মীরা।
এনামুল হক আলেখাচর গ্রামের আবদুল ওয়াদুদের পুত্র ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
স্থানীয়রা এবং সাংবাদিক কাজী সাইফুল জানান, শুক্রবার ১৯ মে দুপুরে জুম্মার নামাজ থেকে এনামূল বের হলে জামায়াত শিবির কর্মী কাজী জহিরুল ইসলামের নেতৃত্ব তার ভাই কাজী আমানুল ইসলাম ও সাইদ মিলে এনামুলকে টেনে-হিঁচড়ে মসজিদের সামনে শুয়াইয়ে গলায় চুরিকাঘাত করে।
মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ নিয়ে যায়। বিকাল ৩ টার দিকে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার এনামুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ নিয়াজ পাবেল জানান, আওয়ামী লীগ কর্মী এনামুলের সাথে জামাত নেতা কাজী জহির গংদের রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি এনামুলের প্রতিষ্ঠিত আলেখাচর দক্ষিণ পাড়া জমিরিয়া তালিমুল হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার দখল নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ মাদ্রাসার সেক্রেটারি ছিল এনামুল। কাজী জহির গং দীর্ঘ দিন ধরে এ মাদ্রাসা দখলের চেষ্টা করতেছিল। এছাড়া ১৮ মে বৃহস্পতিবার কাজী জহিরের মাদক সেবন ও জুয়া খেলার একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। এর জন্য এনামুল কে দায়ী করে। এতে কাজী জহির গং এনামুলের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে শুক্রবার জুম্মা নামাজের পরে রাস্তায় বের হলে কাজী জহিরের উপস্থিতিতে তার ভাই কাজী আমানুল সাঈদসহ কতেক এক সন্ত্রাসী জামাত শিবির কর্মীরা এনামুল এর গলা কেটে হত্যাচেষ্টা করে। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে হাসপাতালে সে মারা যায়।
ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া হত্যাকারী আসামিদেরকে ধরার চেষ্টায় অব্যাহত আছেন।

কুমিল্লা শহরতলীর আওয়ামী লীগ কর্মীকে জবাই করে হত্যা

আপডেট সময় : ০৭:২১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

আলমগীর হোসেন আলম, কুমিল্লা ব্যুরো চীফ:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দূর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের আলেখাচরে আওয়ামী লীগ কর্মী এনামুল হককে জবাই করে হত্যা করেছে জামায়াত শিবির কর্মীরা।
এনামুল হক আলেখাচর গ্রামের আবদুল ওয়াদুদের পুত্র ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
স্থানীয়রা এবং সাংবাদিক কাজী সাইফুল জানান, শুক্রবার ১৯ মে দুপুরে জুম্মার নামাজ থেকে এনামূল বের হলে জামায়াত শিবির কর্মী কাজী জহিরুল ইসলামের নেতৃত্ব তার ভাই কাজী আমানুল ইসলাম ও সাইদ মিলে এনামুলকে টেনে-হিঁচড়ে মসজিদের সামনে শুয়াইয়ে গলায় চুরিকাঘাত করে।
মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ নিয়ে যায়। বিকাল ৩ টার দিকে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার এনামুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ নিয়াজ পাবেল জানান, আওয়ামী লীগ কর্মী এনামুলের সাথে জামাত নেতা কাজী জহির গংদের রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি এনামুলের প্রতিষ্ঠিত আলেখাচর দক্ষিণ পাড়া জমিরিয়া তালিমুল হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার দখল নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ মাদ্রাসার সেক্রেটারি ছিল এনামুল। কাজী জহির গং দীর্ঘ দিন ধরে এ মাদ্রাসা দখলের চেষ্টা করতেছিল। এছাড়া ১৮ মে বৃহস্পতিবার কাজী জহিরের মাদক সেবন ও জুয়া খেলার একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। এর জন্য এনামুল কে দায়ী করে। এতে কাজী জহির গং এনামুলের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে শুক্রবার জুম্মা নামাজের পরে রাস্তায় বের হলে কাজী জহিরের উপস্থিতিতে তার ভাই কাজী আমানুল সাঈদসহ কতেক এক সন্ত্রাসী জামাত শিবির কর্মীরা এনামুল এর গলা কেটে হত্যাচেষ্টা করে। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে হাসপাতালে সে মারা যায়।
ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া হত্যাকারী আসামিদেরকে ধরার চেষ্টায় অব্যাহত আছেন।