ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুমার বিশ্বজিৎ এর অপরাধবোধ

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪ ২৩ বার পঠিত

চিরসবুজ বলে খ্যাত জননন্দিত কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ। এই গায়কের বয়স যেন আজও এক রহস্যের ধাঁধায় মোড়ানো। দেখে বোঝার উপায় নেই জীবনের ৬১তম বসন্তস্পার করেছেন তিনি। সব সময়েই হাস্যোজ্জ্বল এ শিল্পীর হাসিটিও যেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির মোনালিসার অবিস্মরণীয় স্মিত হাসির মতোই রহস্যময়। সে হাসিরও কোনো বয়স হয় না। তার জনপ্রিয় গানের তালিকা হুট করে বলেই শেষ করা যায় না। এখনও সমান তালেই গেয়ে চলেছেন তিনি।

গানের প্রতি ছিল তার এক আলাদা টান। ‘তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে’-এই গানটি দিয়ে সঙ্গীত ভুবনে আলোড়ন ফেলে দেন। তখন থেকেই বিখ্যাত হয়ে উঠেন কুমার বিশ্বজিৎ।

১৯৭৭ সালে একটি রেডিও অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার মাধ্যমে সুরের ভুবনে পা রাখেন কুমার বিশ্বজিৎ। এরপর তিনি ‘রিদম ৭৭’ নামে একটি ব্যান্ডে দুই বছর গান করেন। তারপর ১৯৭৯ সালে নিজেই ‘ফিলিংস’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করেন। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে কুমার বিশ্বজিৎ প্রথম গান করেছিলেন।

সিনেমা ও অডিও দুই মাধ্যমেই সফলতা পেয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৩০টি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বহু মিক্সড অ্যালবাম ও সিনেমায় গান করেছেন। কুমার বিশ্বজিতের কণ্ঠে অসংখ্য জনপ্রিয় গান শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনেছেন।

সঙ্গীতাঙ্গনে তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে পদার্পণ করা এই শিল্পী পেয়েছেন অসংখ্য সন্মাননা। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেছেন মধুমাখা কণ্ঠের এ গায়ক। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এগিয়ে চলেছেন সামনের দিকে।

এত সফলতার পরও, গুণী এই শিল্পীর মনে একটাই কষ্ট, তা হলো মনের মতো করে গান করতে না পারার কষ্ট। আর কষ্ট থেকে তিনি অনেক সময় নিজ থেকেই এক ধরনের অপরাধবোধে ভোগেন। কিন্তু দর্শকরা মনে করেন, কুমার বিশ্বজিৎ গানের জগৎকে যা দিয়েছেন তা একজন শিল্পীর পক্ষে যথেষ্ট। আর এখানেই শিল্পী ও শিল্পের সার্থকতা লুকায়িত।

কুমার বিশ্বজিৎ এর অপরাধবোধ

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

চিরসবুজ বলে খ্যাত জননন্দিত কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ। এই গায়কের বয়স যেন আজও এক রহস্যের ধাঁধায় মোড়ানো। দেখে বোঝার উপায় নেই জীবনের ৬১তম বসন্তস্পার করেছেন তিনি। সব সময়েই হাস্যোজ্জ্বল এ শিল্পীর হাসিটিও যেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির মোনালিসার অবিস্মরণীয় স্মিত হাসির মতোই রহস্যময়। সে হাসিরও কোনো বয়স হয় না। তার জনপ্রিয় গানের তালিকা হুট করে বলেই শেষ করা যায় না। এখনও সমান তালেই গেয়ে চলেছেন তিনি।

গানের প্রতি ছিল তার এক আলাদা টান। ‘তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে’-এই গানটি দিয়ে সঙ্গীত ভুবনে আলোড়ন ফেলে দেন। তখন থেকেই বিখ্যাত হয়ে উঠেন কুমার বিশ্বজিৎ।

১৯৭৭ সালে একটি রেডিও অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার মাধ্যমে সুরের ভুবনে পা রাখেন কুমার বিশ্বজিৎ। এরপর তিনি ‘রিদম ৭৭’ নামে একটি ব্যান্ডে দুই বছর গান করেন। তারপর ১৯৭৯ সালে নিজেই ‘ফিলিংস’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করেন। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে কুমার বিশ্বজিৎ প্রথম গান করেছিলেন।

সিনেমা ও অডিও দুই মাধ্যমেই সফলতা পেয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৩০টি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বহু মিক্সড অ্যালবাম ও সিনেমায় গান করেছেন। কুমার বিশ্বজিতের কণ্ঠে অসংখ্য জনপ্রিয় গান শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনেছেন।

সঙ্গীতাঙ্গনে তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে পদার্পণ করা এই শিল্পী পেয়েছেন অসংখ্য সন্মাননা। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেছেন মধুমাখা কণ্ঠের এ গায়ক। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এগিয়ে চলেছেন সামনের দিকে।

এত সফলতার পরও, গুণী এই শিল্পীর মনে একটাই কষ্ট, তা হলো মনের মতো করে গান করতে না পারার কষ্ট। আর কষ্ট থেকে তিনি অনেক সময় নিজ থেকেই এক ধরনের অপরাধবোধে ভোগেন। কিন্তু দর্শকরা মনে করেন, কুমার বিশ্বজিৎ গানের জগৎকে যা দিয়েছেন তা একজন শিল্পীর পক্ষে যথেষ্ট। আর এখানেই শিল্পী ও শিল্পের সার্থকতা লুকায়িত।