ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জের ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে বসতবাড়ীরসহ ফসলী জমি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩ ৮ বার পঠিত

শফিক কবীর, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাহে ধান্দুল-চরকাওনা মৌজার ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের মহাৎসব চালাচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। এতে ভাংগনের ঝুকিতে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়ীরসহ ফসলী জমি।

বালু উত্তোলন বন্ধ করতে গত বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন চরচারালবন্দ গ্রামের বাসিন্দা নূরুল ইসলাম নামের এক কৃষক।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে গত কিছুদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মৃত করিম মিয়ার ছেলে আশরাফ উদ্দিন ও তার সঙ্গীরা। গভীর রাত থেকে ভোর সকাল এবং সরকারী ছুটির দিন প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে একটি প্রভাবশালী মহল। এভাবে বালু তোলায় ভাংগনের ঝুকিতে পড়েছে ফসলী জমি ও আশপাশের বসতবাড়ি। বালু উত্তোলনে স্থানীয় ভাবে নিষেধ করলে দেওয়া হচ্ছে হত্যার হুমকি-ধমকি। অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে কোটি টাকা সরকারী রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী নূরুল ইসলাম বলেন, গভীর রাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে বাল্কহেড দিয়ে রাতের আঁধারে পাচার করছে। এতে আমাদের বাড়িঘর ও জমিজমা নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে তাদের কয়েকবার না করেছি। এ জন্য এখন তারা আমাদেরকে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। এটি ওপর মহলের বিষয়। আমাকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রোজলিন শহীদ চৌধুরী অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

কিশোরগঞ্জের ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে বসতবাড়ীরসহ ফসলী জমি

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩

শফিক কবীর, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাহে ধান্দুল-চরকাওনা মৌজার ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের মহাৎসব চালাচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। এতে ভাংগনের ঝুকিতে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়ীরসহ ফসলী জমি।

বালু উত্তোলন বন্ধ করতে গত বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন চরচারালবন্দ গ্রামের বাসিন্দা নূরুল ইসলাম নামের এক কৃষক।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে গত কিছুদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মৃত করিম মিয়ার ছেলে আশরাফ উদ্দিন ও তার সঙ্গীরা। গভীর রাত থেকে ভোর সকাল এবং সরকারী ছুটির দিন প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে একটি প্রভাবশালী মহল। এভাবে বালু তোলায় ভাংগনের ঝুকিতে পড়েছে ফসলী জমি ও আশপাশের বসতবাড়ি। বালু উত্তোলনে স্থানীয় ভাবে নিষেধ করলে দেওয়া হচ্ছে হত্যার হুমকি-ধমকি। অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে কোটি টাকা সরকারী রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী নূরুল ইসলাম বলেন, গভীর রাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে বাল্কহেড দিয়ে রাতের আঁধারে পাচার করছে। এতে আমাদের বাড়িঘর ও জমিজমা নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে তাদের কয়েকবার না করেছি। এ জন্য এখন তারা আমাদেরকে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। এটি ওপর মহলের বিষয়। আমাকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রোজলিন শহীদ চৌধুরী অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।