ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভোট মেনে নেওয়া হবে না, যদি কোন অনিয়ম হয়- মিরজা আব্বাসঃ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে গাজীপুরে, উপস্থিতি সন্তোষজনক Logo ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, নওগাঁয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট। Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান

কাশ্মিরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে চীন ও পাকিস্তান

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩ ১৪৯ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে চীন ও পাকিস্তান। দুই দেশ জানিয়েছে, তারা বিতর্কিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত কোনো বৈঠকে অংশ নেবে না। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জি-২০ বিশ্বের ২০টি প্রধান অর্থনীতির জোট। ভারত এ বছর পর্যায়ক্রমে জোটের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার পর্যটন বিষয়ক জি-২০ সম্মেলনের ভেন্যু হিসেবে কাশ্মীরকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান ও চীন শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। হিমালয়ের কাছে অবস্থিত, কাশ্মীর অর্ধেক ভারত এবং বাকি অর্ধেক পাকিস্তান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

তবে উভয় দেশই পুরো কাশ্মীরকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে তিনবার যুদ্ধ করেছে। শুক্রবার (১৯ মে), চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাশ্মীরে জি-২০ বৈঠক বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেছেন, “বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে জি-২০ জোটের যে কোনো বৈঠকের তীব্র বিরোধিতা করে চীন এবং আমরা এ ধরনের বৈঠকে অংশ নেব না।” এদিকে ২০১৯ সালে, মোদি সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে।

কাশ্মীরকে ভারতের ফেডারেল ব্যবস্থার অধীনে আনা হয়। এরপর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের অংশে স্বাধীনতার পক্ষের কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে। তারা ভারত থেকে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অথবা পাকিস্তানের সাথে মিশে যেতে চায়।

এদিকে, কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে অনুষ্ঠিত হবে জি-২০ পর্যটন শীর্ষ সম্মেলন। এরই অংশ হিসেবে ভারত সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ওই এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে।

কাশ্মিরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে চীন ও পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০২:২০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে চীন ও পাকিস্তান। দুই দেশ জানিয়েছে, তারা বিতর্কিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত কোনো বৈঠকে অংশ নেবে না। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জি-২০ বিশ্বের ২০টি প্রধান অর্থনীতির জোট। ভারত এ বছর পর্যায়ক্রমে জোটের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার পর্যটন বিষয়ক জি-২০ সম্মেলনের ভেন্যু হিসেবে কাশ্মীরকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান ও চীন শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। হিমালয়ের কাছে অবস্থিত, কাশ্মীর অর্ধেক ভারত এবং বাকি অর্ধেক পাকিস্তান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

তবে উভয় দেশই পুরো কাশ্মীরকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে তিনবার যুদ্ধ করেছে। শুক্রবার (১৯ মে), চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাশ্মীরে জি-২০ বৈঠক বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেছেন, “বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে জি-২০ জোটের যে কোনো বৈঠকের তীব্র বিরোধিতা করে চীন এবং আমরা এ ধরনের বৈঠকে অংশ নেব না।” এদিকে ২০১৯ সালে, মোদি সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে।

কাশ্মীরকে ভারতের ফেডারেল ব্যবস্থার অধীনে আনা হয়। এরপর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের অংশে স্বাধীনতার পক্ষের কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে। তারা ভারত থেকে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অথবা পাকিস্তানের সাথে মিশে যেতে চায়।

এদিকে, কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে অনুষ্ঠিত হবে জি-২০ পর্যটন শীর্ষ সম্মেলন। এরই অংশ হিসেবে ভারত সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ওই এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে।