ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান Logo কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় এলাকায় মিলিয়ে মোট ২৮ হাজার ৬৩০টি পোস্টাল ভোট Logo ভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। Logo পাকিস্তানের খেলার সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিসিসিআই Logo দীর্ঘ ১৭ বছর পর নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ যেনো এক ঈদ উল্লাস, কিন্তু অভিযোগ যাত্রীদের।-

কয়লা সংকটে সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩ ১৮১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কয়লার অভাবে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে পটুয়াখালীর ১,৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার একটি ইউনিট গত ২৫ মে বন্ধ হয়ে যায়। অপর ইউনিটটি আজ সোমবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে বাড়বে লোডশেডিং।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আবদুল হাসিব রোববার (৪ জুন) রাতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের ব্যবস্থা করছে। এতে নতুন করে কয়লার সরবরাহ শুরু হবে। তবে কয়লা আসতে অন্তত ২০-২৫ দিন সময় লাগবে। এ সময় কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকবে। এরপর জুনের শেষ সপ্তাহে কয়লা এলে উৎপাদন আবার শুরু হবে।’

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কয়লা কিনতে ঋণ দেয় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির চীনা অংশীদার চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিএমসি)। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থা আর বাংলাদেশের নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ বিনিয়োগে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালের মে মাসে।

শাহ আবদুল হাসিব আরও বলেন, দেশের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ৯ শতাংশ এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। অর্থাৎ জাতীয় গ্রিডে যাওয়ার পর এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বরিশাল, খুলনা বিভাগের পাশাপাশি ঢাকার কিছু এলাকায় সরবরাহ করা হতো। এ কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই বিদ্যুৎ খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোদমে চালাতে গড়ে প্রতিদিন ১২ হাজার টন কয়লা দরকার হয়। এর পুরোটাই ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করে আসছিল সিএমসি। ডলার সংকট দেখা দেওয়ায় গত ৬ মাস ধরে কয়লার বিল পরিশোধ করা হয়নি। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বর্তমান ঋণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। ডলার সংকটের কারণে এলসি খোলা হচ্ছে না। আর এ কারণে কয়লা আমদানি সম্ভব হচ্ছে না। ফলসরূপ, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন।

কয়লা সংকটে সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০১:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কয়লার অভাবে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে পটুয়াখালীর ১,৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার একটি ইউনিট গত ২৫ মে বন্ধ হয়ে যায়। অপর ইউনিটটি আজ সোমবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে বাড়বে লোডশেডিং।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আবদুল হাসিব রোববার (৪ জুন) রাতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের ব্যবস্থা করছে। এতে নতুন করে কয়লার সরবরাহ শুরু হবে। তবে কয়লা আসতে অন্তত ২০-২৫ দিন সময় লাগবে। এ সময় কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকবে। এরপর জুনের শেষ সপ্তাহে কয়লা এলে উৎপাদন আবার শুরু হবে।’

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কয়লা কিনতে ঋণ দেয় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির চীনা অংশীদার চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিএমসি)। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থা আর বাংলাদেশের নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ বিনিয়োগে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালের মে মাসে।

শাহ আবদুল হাসিব আরও বলেন, দেশের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ৯ শতাংশ এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। অর্থাৎ জাতীয় গ্রিডে যাওয়ার পর এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বরিশাল, খুলনা বিভাগের পাশাপাশি ঢাকার কিছু এলাকায় সরবরাহ করা হতো। এ কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই বিদ্যুৎ খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোদমে চালাতে গড়ে প্রতিদিন ১২ হাজার টন কয়লা দরকার হয়। এর পুরোটাই ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করে আসছিল সিএমসি। ডলার সংকট দেখা দেওয়ায় গত ৬ মাস ধরে কয়লার বিল পরিশোধ করা হয়নি। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বর্তমান ঋণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। ডলার সংকটের কারণে এলসি খোলা হচ্ছে না। আর এ কারণে কয়লা আমদানি সম্ভব হচ্ছে না। ফলসরূপ, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন।