এসএমই খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় বাড়ানোর পরামর্শ
- আপডেট সময় : ০২:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪ ২০২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।
এসএমই খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত সংস্কার একান্ত অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা চেম্বার আয়োজিত ‘এসএমই নীতিমালা ২০১৯-এর সংস্কার: প্রেক্ষিত টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং উদ্ভাবন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ মত উঠে আসে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সলিম উল্লাহ জানান, আন্তর্জাতিক মানের একটি এসএমই নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ খাতের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।
ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এসএমইদের উন্নয়নে নীতিমালা থাকলেও, সেটি বাস্তবায়নে ইপিবির মতো অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোর অংশগ্রহণ একান্ত অপরিহার্য। কারণ মন্ত্রণালয় নীতি প্রণয়ন করলেও মূলত অধিদপ্তরসমূহ মাঠপর্যায়ে সেগুলোর বাস্তবায়ন করে থাকে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে ইপিবি কাজ করছে এবং এ ক্ষেত্রে এসএমইদের আরও বেশি হারে সম্পৃক্ত করতে হবে।
তিনি জানান, ইপিবির পক্ষ হতে ‘কান্ট্রি অব অরিজিন (সিও)’ সার্টিফিকেশন অনলাইনে দেওয়ার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য আমাদের সামগ্রিক রাজস্ব কাঠমো বেশ জটিল। ইপিবির পক্ষ থেকে এ প্রক্রিয়া সহজীকরণে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল পোগ্রাম্স ডিপার্টমেন্ট) নওশাদ মোস্তফা বলেন, এসএমই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাসমূহের কার্যপরিধি সুনিদিষ্ট করা আবশ্যক। সেই সঙ্গে কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিকাশের লক্ষ্যে একটি ‘কমন প্ল্যাটফর্ম সেন্টার’ স্থাপনেরও প্রস্তাব করেন তিনি। পাশাপাশি দেশে পরিচালিত ‘টেকন্যিাল’ এবং ‘ভোকেশনাল’ শিক্ষা কার্যক্রমের আধুনিকায়ন করা একান্ত আবশ্যক বলে মত প্রকাশ করেন।
এসএমই ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার মো. নাজিম হাসান সাত্তার বলেন, আমাদের এসএমই নীতিমালা থাকলেও সেটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা আশানুরূপভাবে পাওয়া যায়নি, ফলে মাঠপর্যায়ে কার্যকর ফল পাওয়া যায়নি। সেই সাথে এ নীতি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয়হীনতার অভাব রয়েছে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিতকল্পে সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত সংষ্কারের ওপর তিনি জোরারোপ করেন।
এছাড়াও তিনি রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের সম্ভাবনাময় কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা-প্রকৌশল, পাট এবং চামড়া শিল্পে সম্পৃক্ত উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নের সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।




















