ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এমপি আনার হত্যা:কলকাতার বাগজোলা খাল থেকে মিললো হাড়!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪ ২১ বার পঠিত

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে কলকাতার কৃষ্ণমতি সেতু সংলগ্ন এলাকার বাগজোলা খাল থেকে কিছু হাড় উদ্ধার করেছে কলকাতার সিআইডি। তার সঙ্গে ছিলেন পুলিশ ও নৌবাহিনীর ডিএমজি দল।

তবে হাড়গুলো এমপি আনারের কি না তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রোববার সকালে এ অভিযান চালানো হয়।

শুক্রবার (৭ জুন) এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সিয়ামকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)। পরদিন শনিবার তাকে ১৪ দিনের জন্য সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বারাসাত জেলা ও দায়রা আদালত।

শনিবার রাতভর সিয়াম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে সিয়াম হোসেন সিআইডিকে বেশ কিছু তথ্য জানান।

রোববার সকালে সিয়াম হোসেনকে নিয়ে বাগজোলা খালে আসেন সিআইডি কর্মকর্তারা। সিয়াম হোসেন এমপি আনারের লাশ ফেলার স্থান দেখান। এরপর ভারতীয় নৌবাহিনীর তিন সদস্যের একটি দল এবং কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের সদস্যরা সেখানে তল্লাশি অভিযান চালায়।

তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি হাড়গুলো উদ্ধার করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। তবে ওই হাড়গুলো মানুষের নাকি অন্য কিছু তা ফরেনসিক পরীক্ষার পর জানা যাবে।

সিয়ামের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৪ (খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ), ২০১ (প্রমাণ নিষ্পত্তি) এবং ৩৪ (ফৌজদারি অপরাধ সংঘটন) – ৩৬৪ (খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ), ২০১ (প্রমাণ নিষ্পত্তি) এর অধীনে মামলা করা হয়েছে।

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার সঞ্জীবা গার্ডেনসের যে ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয় সেই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে গত ২৮ মে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ। তবে সেগুলো এমপি আনারের মরদেহের খণ্ডাংশ কি না সেটা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

এমপি আনার হত্যা:কলকাতার বাগজোলা খাল থেকে মিললো হাড়!

আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে কলকাতার কৃষ্ণমতি সেতু সংলগ্ন এলাকার বাগজোলা খাল থেকে কিছু হাড় উদ্ধার করেছে কলকাতার সিআইডি। তার সঙ্গে ছিলেন পুলিশ ও নৌবাহিনীর ডিএমজি দল।

তবে হাড়গুলো এমপি আনারের কি না তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রোববার সকালে এ অভিযান চালানো হয়।

শুক্রবার (৭ জুন) এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সিয়ামকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)। পরদিন শনিবার তাকে ১৪ দিনের জন্য সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বারাসাত জেলা ও দায়রা আদালত।

শনিবার রাতভর সিয়াম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে সিয়াম হোসেন সিআইডিকে বেশ কিছু তথ্য জানান।

রোববার সকালে সিয়াম হোসেনকে নিয়ে বাগজোলা খালে আসেন সিআইডি কর্মকর্তারা। সিয়াম হোসেন এমপি আনারের লাশ ফেলার স্থান দেখান। এরপর ভারতীয় নৌবাহিনীর তিন সদস্যের একটি দল এবং কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের সদস্যরা সেখানে তল্লাশি অভিযান চালায়।

তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি হাড়গুলো উদ্ধার করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। তবে ওই হাড়গুলো মানুষের নাকি অন্য কিছু তা ফরেনসিক পরীক্ষার পর জানা যাবে।

সিয়ামের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৪ (খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ), ২০১ (প্রমাণ নিষ্পত্তি) এবং ৩৪ (ফৌজদারি অপরাধ সংঘটন) – ৩৬৪ (খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ), ২০১ (প্রমাণ নিষ্পত্তি) এর অধীনে মামলা করা হয়েছে।

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার সঞ্জীবা গার্ডেনসের যে ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয় সেই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে গত ২৮ মে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ। তবে সেগুলো এমপি আনারের মরদেহের খণ্ডাংশ কি না সেটা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।