ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এপ্রিলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০.২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪ ১৮ বার পঠিত

গত এপ্রিলে আবারও খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে উঠেছে। গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ১০.২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগের মাসে (মার্চ) এ হার ছিল ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে খাদ্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অর্থাৎ চার মাস পর আবারও খাদ্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি দশ শতাংশ ছাড়িয়েছে।এপ্রিলে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে; গত মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

সোমবার (১৩ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এই চিত্রটি সেখানে দেখা গেছে।

মার্চে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬৪ শতাংশ। এদিক দিয়ে এপ্রিলে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯.৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে; যা আগের মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখন অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি এক ধরনের কর, যা ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার ওপর চাপ বাড়ায়। আয় বৃদ্ধির চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি হলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জিনিসপত্রের দাম এমনিতেই চড়া। সেই সঙ্গে চিকিৎসা, পরিবহনসহ খাদ্যবহির্ভূত খাতের ব্যয়ও বেড়েছে। সব মিলিয়ে মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ।

এপ্রিলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০.২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

গত এপ্রিলে আবারও খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে উঠেছে। গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ১০.২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগের মাসে (মার্চ) এ হার ছিল ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে খাদ্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অর্থাৎ চার মাস পর আবারও খাদ্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি দশ শতাংশ ছাড়িয়েছে।এপ্রিলে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে; গত মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

সোমবার (১৩ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এই চিত্রটি সেখানে দেখা গেছে।

মার্চে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬৪ শতাংশ। এদিক দিয়ে এপ্রিলে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯.৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে; যা আগের মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখন অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি এক ধরনের কর, যা ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার ওপর চাপ বাড়ায়। আয় বৃদ্ধির চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি হলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জিনিসপত্রের দাম এমনিতেই চড়া। সেই সঙ্গে চিকিৎসা, পরিবহনসহ খাদ্যবহির্ভূত খাতের ব্যয়ও বেড়েছে। সব মিলিয়ে মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ।