ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ৪ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

এন আই এ্যাক্ট ধারার মামলায় প্রতারক চক্র গোলাম মোস্তফা বিল্লাল হোসেনের সাজা, সাজা বাস্তবায়নে অনুরোধ জানিয়েছেন বাদী।

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫ ১৭৯ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

আলমগীর হোসেন আলম ,কুমিল্লা  জেলা ব্যুরো চীফ:
কাজি গোলাম মোস্তফা পিতা কাজী আবদুল আমিন বর্তমান ঠিকানা আলভী টাওয়ার ফ্লোর নাম্বার ৮ /এ রানির বাজার কোতোয়ালি মডেল থানা জেলা কুমিল্লা যার এস, টি ৩৬১১/১৯ সি আর ৬১২/ ১৯, কোতয়ালী মডেল থানা। কোট পিটিশন এন, জি এ্যাক্ট এর ধারায় মামলার রুজু করেন   বাদী রুহুল আমিন পিতা মৃত ইউনুস সাং বাগিচাগাঁও কোতোয়ালী সদর কুমিল্লা।  প্রতারক চক্র গোলাম মোস্তফা তার ব্যবসায়ীক কর্মকান্ডের লক্ষে বাদী থেকে ব্রিকফিল্ড পরিচালনার জন্য লক্ষ ৬০ লক্ষ টাকা হাওলাত হিসেবে গ্রহণ করেন। কিন্তু তারিখ সমবেত হলেও  বাদী কর্তিক   টাকা ফেরত চাইলে  প্রতারকগন  টাকা দিতে পারেন নাই,।একাধিক সময় নেয়ার পরও টাকা দিতে ব্যর্থ হন। বাদী প্রতারক গোলাম মোস্তফাকে বিবাদী করিয়া সি আর ৬১২/১৯, এস,টি ৩৬১১/১৯ বিজ্ঞ আদালতে এনআইএ্যাক্ট ১৩৮ ধারায় মামলা রুজু করেন উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত শুনানীর পর রায়ের ধার্য  তারিখ  মামলার নিষ্পত্তি করেন যার তারিখ ২০/১১/২৪ আসিন বিজ্ঞ যুগ্নু দায়রা জজ চতুর্থ আদালত। বিবাদী প্রতারক গোলাম মোস্তফা  কে এন,জিএ্যাক্ট ১৩৮ ধারা অপরাধে দোষী সাব্যস্তক্রমে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকে দ্বিগুণ অর্থাৎ এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।  তদ্রূপ বিল্লাল পিতা আব্দুল হক  ঠিকানা দক্ষিণ বাগিচা গাঁও সেল আঞ্জুমানারা হক ফ্লাট নং –  ১/ডি  রানীর বাজার কোতোয়ালি সদর কুমিল্লা। এ/পি শাহা দৌলতপুর বিরতি রেস্তোরাঁ কালা কচুয়া কুমিল্লা কে ও সর্বমোট চার কোটি টাকার  যার মামলা নাম ৪৯৮/২২ সিআার ৩২৪/২১,১৩৮ ধারার  অপরাধ দোষী  সাব্যস্ত করেন এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৬৬ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। বিজ্ঞ জুগ্ন দায়রা জর্জ চতুর্থ স্পেশাল ট্রাইবুনাল ৭ কুমিল্লার আদালত। এই বিষয়ে জানা যায় উল্লেখিত প্রতারকগণ দীর্ঘ সময় ক্ষেপন করিয়া টাকা প্রদানে গরিমসি  করেন। এই বিষয়ে  মামলার বাদী কর্তৃক জানা যায় আমি বাদী হিসেবে  এই রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি। বাদী রুহুল আমিন দৈনিক বাংলাদেশ কন্ঠকে  জানান বর্তমানে সাজা প্রাপ্ত দুজন  প্রতারক  গা ঢাকা  দিয়ে পলাতক অবস্থায় আছেন।তিনি আরো জানান,   এই রায় বাস্তবায়নে  বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অনুযায়ী আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিকট  আসামী গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয়  আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনসহ জেলা আইনশৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর প্রতি বিশেষভাবে প্রার্থনা সহ অনুরোধ জানাইয়াছেন।
ট্যাগস :

এন আই এ্যাক্ট ধারার মামলায় প্রতারক চক্র গোলাম মোস্তফা বিল্লাল হোসেনের সাজা, সাজা বাস্তবায়নে অনুরোধ জানিয়েছেন বাদী।

আপডেট সময় : ০২:২৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

আলমগীর হোসেন আলম ,কুমিল্লা  জেলা ব্যুরো চীফ:
কাজি গোলাম মোস্তফা পিতা কাজী আবদুল আমিন বর্তমান ঠিকানা আলভী টাওয়ার ফ্লোর নাম্বার ৮ /এ রানির বাজার কোতোয়ালি মডেল থানা জেলা কুমিল্লা যার এস, টি ৩৬১১/১৯ সি আর ৬১২/ ১৯, কোতয়ালী মডেল থানা। কোট পিটিশন এন, জি এ্যাক্ট এর ধারায় মামলার রুজু করেন   বাদী রুহুল আমিন পিতা মৃত ইউনুস সাং বাগিচাগাঁও কোতোয়ালী সদর কুমিল্লা।  প্রতারক চক্র গোলাম মোস্তফা তার ব্যবসায়ীক কর্মকান্ডের লক্ষে বাদী থেকে ব্রিকফিল্ড পরিচালনার জন্য লক্ষ ৬০ লক্ষ টাকা হাওলাত হিসেবে গ্রহণ করেন। কিন্তু তারিখ সমবেত হলেও  বাদী কর্তিক   টাকা ফেরত চাইলে  প্রতারকগন  টাকা দিতে পারেন নাই,।একাধিক সময় নেয়ার পরও টাকা দিতে ব্যর্থ হন। বাদী প্রতারক গোলাম মোস্তফাকে বিবাদী করিয়া সি আর ৬১২/১৯, এস,টি ৩৬১১/১৯ বিজ্ঞ আদালতে এনআইএ্যাক্ট ১৩৮ ধারায় মামলা রুজু করেন উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত শুনানীর পর রায়ের ধার্য  তারিখ  মামলার নিষ্পত্তি করেন যার তারিখ ২০/১১/২৪ আসিন বিজ্ঞ যুগ্নু দায়রা জজ চতুর্থ আদালত। বিবাদী প্রতারক গোলাম মোস্তফা  কে এন,জিএ্যাক্ট ১৩৮ ধারা অপরাধে দোষী সাব্যস্তক্রমে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকে দ্বিগুণ অর্থাৎ এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।  তদ্রূপ বিল্লাল পিতা আব্দুল হক  ঠিকানা দক্ষিণ বাগিচা গাঁও সেল আঞ্জুমানারা হক ফ্লাট নং –  ১/ডি  রানীর বাজার কোতোয়ালি সদর কুমিল্লা। এ/পি শাহা দৌলতপুর বিরতি রেস্তোরাঁ কালা কচুয়া কুমিল্লা কে ও সর্বমোট চার কোটি টাকার  যার মামলা নাম ৪৯৮/২২ সিআার ৩২৪/২১,১৩৮ ধারার  অপরাধ দোষী  সাব্যস্ত করেন এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৬৬ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। বিজ্ঞ জুগ্ন দায়রা জর্জ চতুর্থ স্পেশাল ট্রাইবুনাল ৭ কুমিল্লার আদালত। এই বিষয়ে জানা যায় উল্লেখিত প্রতারকগণ দীর্ঘ সময় ক্ষেপন করিয়া টাকা প্রদানে গরিমসি  করেন। এই বিষয়ে  মামলার বাদী কর্তৃক জানা যায় আমি বাদী হিসেবে  এই রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি। বাদী রুহুল আমিন দৈনিক বাংলাদেশ কন্ঠকে  জানান বর্তমানে সাজা প্রাপ্ত দুজন  প্রতারক  গা ঢাকা  দিয়ে পলাতক অবস্থায় আছেন।তিনি আরো জানান,   এই রায় বাস্তবায়নে  বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অনুযায়ী আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিকট  আসামী গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয়  আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনসহ জেলা আইনশৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর প্রতি বিশেষভাবে প্রার্থনা সহ অনুরোধ জানাইয়াছেন।