ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এখনো হাজারো পুরুষের হৃদয়ের রানী মাধুরী দীক্ষিত

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪ ৩২ বার পঠিত

তার হাসিতে মন হারায় সবাই। এমনকি এখনো হাজারো পুরুষের হৃদয়ের রানী তিনি। গ্ল্যামার আর অভিনয়ে তো তিন দশকের বেশি সময় ধরে মাতিয়ে যাচ্ছেন। বয়স বাড়লেও এখনকার নায়িকাদের চেয়ে তার রূপ-লাবণ্য কিন্তু কম নয়! বলছি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের কথা। বলিউড সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সেরা জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি। নাচের দিক দিয়েও তিনি একাধিক প্রজন্মের নায়িকাদের কাছে আদর্শ।

তেজাব’, ‘বেটা’ থেকে শুরু করে ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, তাঁর সুপারহিট ছবির তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু ক্যামেরার মুখোমুখি হওয়ার আগে অবধি নায়িকা হওয়ার কোনও পরিকল্পনা মাধুরীর ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই একটি সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পান মাধুরী। ‘অবোধ’ নামের সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৮৮৪ সালে। সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে সফল না হলেও মাধুরী নজর কাড়েন অনেকের।

১৮৮৮ সালে মাধুরীর ক্যারিয়ার ঘুরে দাঁড়ায় ‘তেজাব’ সিনেমার মাধ্যমে। এখানে তিনি অনিল কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন। সিনেমাটি সে বছর সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমার খেতাব পায় এবং মাধুরী পান তার ক্যারিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এরপর তো সাফল্যময় পথচলা।

বলিউডের প্রথম সারির সব তারকার সঙ্গেই কাজ করেছেন মাধুরী। ৯০-এর পুরো দশক জুড়ে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের নেতৃত্বদানকারী অভিনেত্রী ও শীর্ষস্থানীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে একচ্ছত্র প্রাধান্য ও প্রভাব বিস্তার করেন।‘রাম-লক্ষ্মণ, ‘দিল’, ‘সাজন’, ‘বেটা’, ‘খলনায়ক’, ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘আনজাম’, ‘কয়লা’, ‘হাম তুমহারে হ্যায় সানাম’ ও ‘টোটাল ধামাল’-এর মত ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

২০০২ সালে দেবদাস ছবিতে শাহরুখ খান এবং ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন মাধুরী। চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। এ সিনেমায় অসামান্য অভিনয় শৈলী ও অপূর্ব দক্ষতার জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী পুরস্কার লাভ করেন।

মাধুরী দীক্ষিত তার বর্ণিল ক্যারিয়ারে পাঁচবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন। চারবার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড ও দুইবার জি সিনে অ্যাওয়ার্ডসহ ৪৮টি পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৮ সালে ভারত সরকার মাধুরী দীক্ষিতকে সম্মানজনক ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত করেন।

এখনো হাজারো পুরুষের হৃদয়ের রানী মাধুরী দীক্ষিত

আপডেট সময় : ০৩:১৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

তার হাসিতে মন হারায় সবাই। এমনকি এখনো হাজারো পুরুষের হৃদয়ের রানী তিনি। গ্ল্যামার আর অভিনয়ে তো তিন দশকের বেশি সময় ধরে মাতিয়ে যাচ্ছেন। বয়স বাড়লেও এখনকার নায়িকাদের চেয়ে তার রূপ-লাবণ্য কিন্তু কম নয়! বলছি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের কথা। বলিউড সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সেরা জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি। নাচের দিক দিয়েও তিনি একাধিক প্রজন্মের নায়িকাদের কাছে আদর্শ।

তেজাব’, ‘বেটা’ থেকে শুরু করে ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, তাঁর সুপারহিট ছবির তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু ক্যামেরার মুখোমুখি হওয়ার আগে অবধি নায়িকা হওয়ার কোনও পরিকল্পনা মাধুরীর ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই একটি সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পান মাধুরী। ‘অবোধ’ নামের সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৮৮৪ সালে। সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে সফল না হলেও মাধুরী নজর কাড়েন অনেকের।

১৮৮৮ সালে মাধুরীর ক্যারিয়ার ঘুরে দাঁড়ায় ‘তেজাব’ সিনেমার মাধ্যমে। এখানে তিনি অনিল কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন। সিনেমাটি সে বছর সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমার খেতাব পায় এবং মাধুরী পান তার ক্যারিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এরপর তো সাফল্যময় পথচলা।

বলিউডের প্রথম সারির সব তারকার সঙ্গেই কাজ করেছেন মাধুরী। ৯০-এর পুরো দশক জুড়ে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের নেতৃত্বদানকারী অভিনেত্রী ও শীর্ষস্থানীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে একচ্ছত্র প্রাধান্য ও প্রভাব বিস্তার করেন।‘রাম-লক্ষ্মণ, ‘দিল’, ‘সাজন’, ‘বেটা’, ‘খলনায়ক’, ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘আনজাম’, ‘কয়লা’, ‘হাম তুমহারে হ্যায় সানাম’ ও ‘টোটাল ধামাল’-এর মত ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

২০০২ সালে দেবদাস ছবিতে শাহরুখ খান এবং ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন মাধুরী। চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। এ সিনেমায় অসামান্য অভিনয় শৈলী ও অপূর্ব দক্ষতার জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী পুরস্কার লাভ করেন।

মাধুরী দীক্ষিত তার বর্ণিল ক্যারিয়ারে পাঁচবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন। চারবার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড ও দুইবার জি সিনে অ্যাওয়ার্ডসহ ৪৮টি পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৮ সালে ভারত সরকার মাধুরী দীক্ষিতকে সম্মানজনক ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত করেন।