ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এক হাজার ৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন করেছেন ডা. কামরুল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩ ১০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
১৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন দেশের প্রখ্যাত কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. কামরুল ইসলাম। এই প্রতিস্থাপনের ফলে মায়ের দেওয়া কিডনি বাঁচবে এক তরুণের প্রাণ।
গতকাল সন্ধ্যায় সিকেডি হাসপাতালে এই কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। এতে নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফাহিম হোসেন (২৪) নামে এক যুবকের ১৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তার মা ফাতেমা বেগম (৩৯) তাকে একটি কিডনি দিয়েছেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চলে অভিযান। ফাহিম হাসানের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায়।

কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়ে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, রোগী ও তার মা ভালো আছেন। আশা করি তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে দেশে ফিরবেন। এটি আমার অধীনে ১৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন।

এর আগে, ১৮ অক্টোবর ২০২২ তারিখে, ডাঃ কামরুল ১২০০ তম রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। তবে ২০২১ সালে বিনামূল্যে এক হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি।

এক হাজার ৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন করেছেন ডা. কামরুল

আপডেট সময় : ০২:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
১৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন দেশের প্রখ্যাত কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. কামরুল ইসলাম। এই প্রতিস্থাপনের ফলে মায়ের দেওয়া কিডনি বাঁচবে এক তরুণের প্রাণ।
গতকাল সন্ধ্যায় সিকেডি হাসপাতালে এই কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। এতে নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফাহিম হোসেন (২৪) নামে এক যুবকের ১৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তার মা ফাতেমা বেগম (৩৯) তাকে একটি কিডনি দিয়েছেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চলে অভিযান। ফাহিম হাসানের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায়।

কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়ে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, রোগী ও তার মা ভালো আছেন। আশা করি তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে দেশে ফিরবেন। এটি আমার অধীনে ১৩০০তম কিডনি প্রতিস্থাপন।

এর আগে, ১৮ অক্টোবর ২০২২ তারিখে, ডাঃ কামরুল ১২০০ তম রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। তবে ২০২১ সালে বিনামূল্যে এক হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি।