এই প্রথম মিস ইউনিভার্সে প্লাস সাইজ মডেল জেন দীপিকা, ভেঙ্গে দিলেন সুন্দরের সংজ্ঞা
- আপডেট সময় : ০৪:০১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩ ২২৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
মিস ইউনিভার্সের চিরচারিত ভাবনা ভেঙে দিলেন মিস নেপাল জেন দীপিকা গ্যারেট। প্রথমবারের মতো ভেঙ্গে দিলেন মিস ইউনিভার্সে সুন্দরের সংজ্ঞা। এর আগে মিস ইউনিভার্স শুনলেই আমাদের মাথায় চলে আসতো, স্লিম, হালকা গঠনের সুন্দরী কোন নারীর অবয়ব। কিন্তু এই প্রথম প্লাস সাইজের মডের হিসেবে মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে অংশ নিলেন জেন দীপিকা। গর্বের সঙ্গে বিউটি পেজেন্টে লেখালেন তার নামও। প্রথম প্লাস সাইজ মডেল হিসাবে, তিনি এই বছরের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন এবং সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে গর্বের সাথে নিজের নাম লেখালেন।
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৯ নভেম্বর রবিবার মধ্য আমেরিকার এল সালভাদরে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের বিচার হয়। সেখানে দীপিকার মাথায় জয়ের মুকুট না জুটলেও প্রাপ্তির ঝুলি ঠিকই ভরে নিয়েছেন প্লাস সাইজের আত্মবিশ্বাসী ২২ বছরের মেয়েটি।
মিস ইউনিভার্সের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্লাস সাইজের মডেল অংশ নিলেন। তিনি সুইমস্যুট রাউন্ডে সবার মনোযোগ কেড়েছিলেন। তার আত্মবিশ্বাস, তার সৌন্দর্য সবাইকে মোহিত করে। তাকে একটি মেটালিক গ্রিন সুইমস্যুটে আন্তর্জাতিক মঞ্চে হাঁটতে দেখা যায়। সঙ্গে পরেছিলেন স্ট্র্যাপ হিল এবং বড় কানের দুল। সাজ সম্পন্ন করতে খুলে রেখেছিলেন চুল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীপিকা বলেছিলেন যে এখানে এসে পৌঁছনোটাই তার কাছে একটা বড় বিষয় ছিল। কারণ তার আগে আর কোনও পৃথুলা চেহারার মহিলাকে মূল ধারার কোনও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে দেখা যায়নি। সেই অর্থে তিনি এই নিয়ে ট্যাবু ভাঙলেন। তার পর আগামী দিনে চাইলে আরও প্লাস সাইজ নারী সাহস করে সৌন্দর্যের দুনিয়া জয়ের স্বপ্ন দেখতে পারবেন।
দীপিকা মনে করেন, ‘প্রত্যেক মহিলাই নিজের মতো করে সুন্দর। শুধু সেই সৌন্দর্যকে চিনতে হবে। ভালবাসতে হবে নিজেকে।’ বছর কয়েক আগে তিনি নিজেও নিজের চেহারা নিয়ে আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগতেন জানিয়ে দীপিকা বলেছেন, ‘এখন আমি নিজেকে ভালবাসি। আর এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য।’
অনেকেই শারীরিক গঠন নিয়ে বিষণ্নতায় ভোগেন। অনেকে মানসিক অবসাদে ডুবে যান। দীপিকার বিশ্বাস, তার এই সামান্য চেষ্টা এমন মেয়েদেরও আত্মবিশ্বাস জোগাবে।
দীপিকা জানেন, কারণ তিনি নিজেই একসময় এই বিষণ্নতার শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু মনের জোরে সেই বাধা পেরিয়ে এসেছেন তিনি। এখন তিনি ফিটনেসে কোন তন্বীর থেকে কম যান না। আর মনে করেন সৌন্দর্যকে ফিতেয় বেঁধে রাখা যায় না।
জেন দীপিকা গ্যারেট পেশায় একজন নার্স এবং ব্যবসায়ী। তিনি মানসিক স্বাস্থ্য এবং শরীরের ইতিবাচকতা প্রচারে কাজ করেন।




















