ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে শিশুসহ নিহত ৯

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪ ৪৭ বার পঠিত

টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক ভূমিধসে শিশু ও নারীসহ নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০-১৫ জন।

বুধবার (১৯ জুন) ভোরে কয়েকটি ক্যাম্প এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় এক কিশোরসহ দুই বাংলাদেশি রয়েছে। বাকিরা সবাই রোহিঙ্গা।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন, উখিয়ার ৮নং ইস্টের ব্লক বি/৮২ এর বাসিন্দা মো. আনোয়ারের ছেলে মো. হারেছ (৪), ক্যাম্প ৯ এর ব্লক আই/৪ এর বাসিন্দা আলী জোহারের মেয়ে আনোয়ারা বেগম (১৮), ব্লক আই/৯ এর বাসিন্দা মো. জামালের ছেলে মো. সালমান (৩), ক্যাম্প ১০ এর ব্লক এফ/১০ এর বাসিন্দা লাল মিয়ার ছেলে আবুল কালাম (৫৭), মতিউর রহমানের মেয়ে সলিমা খাতুন (৪২), আবুল কালামের মেয়ে আবু মেহের (২৪), শরীফ হোসেনের মেয়ে জয়নব বিবি (১৯), ক্যাম্প-৯ এ অবস্থান করা চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানিহাট এলাকার আলী জুহারের ছেলে হোসেন আহমেদ (৫০) ও ক্যাম্প-১৪ এর পাশে পালংখালীর থাইংখালীর শাহ আলমের ছেলে আব্দুল করিম (১২)। ক্যাম্প-১৪ এর লাগোয়া বাড়িতে ভূমিধসে মারা যাওয়া আবদুল করিম স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজার জেলায় ভারী বর্ষণ শুরু হয়। শেষরাতে তা মুষলধারে রূপ নেয়। হয়ত এর কোনো একসময় চারটি ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ের মাটিচাপা পড়ে এক ক্যাম্পে চারজন, আরেক ক্যাম্পে তিনজন, আর দুই ক্যাম্পে একজন করে মোট নয়জন মারা যান। এদের মাঝে স্থানীয় কিশোরসহ দুজন বাংলাদেশি, বাকি ৭ জন রোহিঙ্গা।

ফায়ার সার্ভিসের উখিয়া স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ভূমিধসের খবর আসে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯ নং ক্যাম্পে স্বামী-স্ত্রী এবং ১০ নং ক্যাম্পের ৪ জনকে মাটিচাপা অবস্থা থেকে উদ্ধার করি। বাকি তিনজনের মরদেহ আমরা উদ্ধার করতে পারিনি।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে কক্সবাজার জুড়ে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা এবং পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে শিশুসহ নিহত ৯

আপডেট সময় : ০১:৫৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক ভূমিধসে শিশু ও নারীসহ নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০-১৫ জন।

বুধবার (১৯ জুন) ভোরে কয়েকটি ক্যাম্প এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় এক কিশোরসহ দুই বাংলাদেশি রয়েছে। বাকিরা সবাই রোহিঙ্গা।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন, উখিয়ার ৮নং ইস্টের ব্লক বি/৮২ এর বাসিন্দা মো. আনোয়ারের ছেলে মো. হারেছ (৪), ক্যাম্প ৯ এর ব্লক আই/৪ এর বাসিন্দা আলী জোহারের মেয়ে আনোয়ারা বেগম (১৮), ব্লক আই/৯ এর বাসিন্দা মো. জামালের ছেলে মো. সালমান (৩), ক্যাম্প ১০ এর ব্লক এফ/১০ এর বাসিন্দা লাল মিয়ার ছেলে আবুল কালাম (৫৭), মতিউর রহমানের মেয়ে সলিমা খাতুন (৪২), আবুল কালামের মেয়ে আবু মেহের (২৪), শরীফ হোসেনের মেয়ে জয়নব বিবি (১৯), ক্যাম্প-৯ এ অবস্থান করা চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানিহাট এলাকার আলী জুহারের ছেলে হোসেন আহমেদ (৫০) ও ক্যাম্প-১৪ এর পাশে পালংখালীর থাইংখালীর শাহ আলমের ছেলে আব্দুল করিম (১২)। ক্যাম্প-১৪ এর লাগোয়া বাড়িতে ভূমিধসে মারা যাওয়া আবদুল করিম স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজার জেলায় ভারী বর্ষণ শুরু হয়। শেষরাতে তা মুষলধারে রূপ নেয়। হয়ত এর কোনো একসময় চারটি ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ের মাটিচাপা পড়ে এক ক্যাম্পে চারজন, আরেক ক্যাম্পে তিনজন, আর দুই ক্যাম্পে একজন করে মোট নয়জন মারা যান। এদের মাঝে স্থানীয় কিশোরসহ দুজন বাংলাদেশি, বাকি ৭ জন রোহিঙ্গা।

ফায়ার সার্ভিসের উখিয়া স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ভূমিধসের খবর আসে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯ নং ক্যাম্পে স্বামী-স্ত্রী এবং ১০ নং ক্যাম্পের ৪ জনকে মাটিচাপা অবস্থা থেকে উদ্ধার করি। বাকি তিনজনের মরদেহ আমরা উদ্ধার করতে পারিনি।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে কক্সবাজার জুড়ে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা এবং পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।