ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদের আগেই জিম্মি নাবিকদের মুক্তির আশা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪ ১৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে ২৩ জন নাবিকসহ সোমালি জলদস্যুরা জিম্মি করার পর জলদস্যুরা মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দস্যুদের সঙ্গে মালিকপক্ষের চুক্তির আলোচনাও এগিয়েছে। জাহাজটির মালিক কবির গ্রুপ আশা করছে, ঈদুল ফিতরের আগেই জাহাজের নাবিকদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি কবির গ্রুপের এসআর শিপিংয়ের মালিকানাধীন। এ সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এমভি আবদুল্লাহর ২৩ জন নাবিক যেকোনো সময় দেশে ফিরছেন। তবে কবে তারা দস্যুদের হাত থেকে মুক্ত হবেন সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি। জাহাজ কর্তৃপক্ষের মুক্তিপণ নিয়ে দস্যুদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

সেই জাহাজের নাবিকদের মুক্তিপণ হিসেবে ডাকাতদের টাকা দিতে রাজি হননি মালিকপক্ষের কেউই। তবে কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন,‘জাহাজে জিম্মি নাবিকরা সুস্থ আছেন। দস্যুদের সঙ্গেও আমাদের আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি ঈদের আগেই যেন জিম্মি নাবিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’

কবির গ্রুপের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, নাবিকদের দস্যুদের হাত থেকে মুক্ত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জিম্মি থেকে মুক্তি পেয়ে ২৩ জন নাবিককে বিমানযোগে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। জাহাজটিতে ২৩ জনের একটি নতুন দল নিয়োগ করা হবে। তারা কয়লা বোঝাই জাহাজটি সোমালিয়া থেকে দুবাই নিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে ২৩ জন নাবিকের একটি নতুন দল প্রস্তুত করা হয়েছে।

এর আগে ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর আরব সাগরে সোমালি জলদস্যুদের হাতে একই কোম্পানির ‘এমভি জাহান মনি’ জাহাজটি আটক হয়। ওই জাহাজের ২৫ জন বাংলাদেশি নাবিকসহ এক ক্যাপ্টেনের স্ত্রীসহ ২৬ জনকে ১০০ দিন ধরে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল।পরে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেবার ৩০ লাখ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে জিম্মি নাবিকরা মুক্তি পায় বলে জনশ্রুতি আছে। ওই সময় কেনিয়া হয়ে সোমালিয়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল টাকাভর্তি দুটি ব্যাগ। এখন কীভাবে টাকা পৌঁছানো হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

ঈদের আগেই জিম্মি নাবিকদের মুক্তির আশা

আপডেট সময় : ০১:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে ২৩ জন নাবিকসহ সোমালি জলদস্যুরা জিম্মি করার পর জলদস্যুরা মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দস্যুদের সঙ্গে মালিকপক্ষের চুক্তির আলোচনাও এগিয়েছে। জাহাজটির মালিক কবির গ্রুপ আশা করছে, ঈদুল ফিতরের আগেই জাহাজের নাবিকদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি কবির গ্রুপের এসআর শিপিংয়ের মালিকানাধীন। এ সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এমভি আবদুল্লাহর ২৩ জন নাবিক যেকোনো সময় দেশে ফিরছেন। তবে কবে তারা দস্যুদের হাত থেকে মুক্ত হবেন সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি। জাহাজ কর্তৃপক্ষের মুক্তিপণ নিয়ে দস্যুদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

সেই জাহাজের নাবিকদের মুক্তিপণ হিসেবে ডাকাতদের টাকা দিতে রাজি হননি মালিকপক্ষের কেউই। তবে কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন,‘জাহাজে জিম্মি নাবিকরা সুস্থ আছেন। দস্যুদের সঙ্গেও আমাদের আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি ঈদের আগেই যেন জিম্মি নাবিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’

কবির গ্রুপের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, নাবিকদের দস্যুদের হাত থেকে মুক্ত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জিম্মি থেকে মুক্তি পেয়ে ২৩ জন নাবিককে বিমানযোগে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। জাহাজটিতে ২৩ জনের একটি নতুন দল নিয়োগ করা হবে। তারা কয়লা বোঝাই জাহাজটি সোমালিয়া থেকে দুবাই নিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে ২৩ জন নাবিকের একটি নতুন দল প্রস্তুত করা হয়েছে।

এর আগে ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর আরব সাগরে সোমালি জলদস্যুদের হাতে একই কোম্পানির ‘এমভি জাহান মনি’ জাহাজটি আটক হয়। ওই জাহাজের ২৫ জন বাংলাদেশি নাবিকসহ এক ক্যাপ্টেনের স্ত্রীসহ ২৬ জনকে ১০০ দিন ধরে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল।পরে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেবার ৩০ লাখ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে জিম্মি নাবিকরা মুক্তি পায় বলে জনশ্রুতি আছে। ওই সময় কেনিয়া হয়ে সোমালিয়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল টাকাভর্তি দুটি ব্যাগ। এখন কীভাবে টাকা পৌঁছানো হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।