ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হুথি মোকাবিলায় সৌদি আরবের পাশে সীমিত সহায়তা, সরাসরি যুদ্ধে নামছে না যুক্তরাষ্ট্র Logo ফেনীর নিহত যুবদল নেতা ও অসহায় পরিবারকে বাড়ি উপহার দিচ্ছেন তারেক রহমান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া কাজী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী সভাপতি ইয়াহিইয়া মাসউদ, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট ঘিরে ফের উত্তাপ, কনসার্ট বন্ধের দাবি, কওমি ঐক্য জোটের  Logo নওগাঁয় দৈনিক দেশ প্রতিদিনের ১৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo ফিচার ফোন থেকে স্মার্টফোন—১৪ কোটিতে সিম্ফনির গৌরবযাত্রা Logo পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ Logo আকর্ষণীয় অফারে সাড়া ফেলছে ভিভো ভি৮০ লাইট Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া ভাউচার, অর্থ লেনদেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও দালালচক্র তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালীর অপসারণ দাবি Logo ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ

ইবিতে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত 

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪ ২৪৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

সাকিব আসলাম, ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দখলদার ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 আজ রবিবার (২০ অক্টোবর) দুপুর জোহরে নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বতটলা প্রাঙ্গণে ইবি কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আশরাফ উদ্দিন খানের ইমামতিতে এ গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ’র সাথে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলোজি ও ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ.ব.ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. এয়াকুব আলী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এস এম সুইট সহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।
ইয়াহিয়া ইবরাহিম হাসান সিনওয়ার ২৯ অক্টোবর ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ এবং হামাস এর রাজনৈতিক শাখার প্রধান। তিনি ইয়াহিয়া আস-সিনওয়ার হামাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্বনেতা বলে আমরা যাদেরকে ভাবছি তারাই কিন্ত এই হত্যাকান্ডের প্রকৃত উৎসাহদাতা বা মদদদাতা। যদি জাতিসংঘের কথা বলি তারা সারা বিশ্বের শান্তির বানী প্রচার করলেও ফিলিস্তিন বা গাজার ব্যাপারে নীরব থাকছে। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ফেরাতে হলে মুসলিম উম্মাহ একযোগে যোগদান করতে হবে পিছনে থেকে বাহবা দিয়ে কাজ হবেনা।
দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসানুল বান্না অলি বলেন, মুসলিম বীর সিপাহসালার, ফিলিস্তিনের মুসলমানদের মুক্তিকামী সংগঠন হামাস প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ারকে ইসরায়েলের ইহুদি এবং তাদের মদদপুষ্টরা শহীদ করে যদি ভেবে ভেবে থাকে যে,তার শাহাদাতের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে দমিয়ে দেওয়া যাবে তাহলে হয়তো ওরা ভুলের মধ্যে আছে। কারণ তাদের জেনে রাখা দরকার মুসলমানদের গন্তব্য তো জান্নাত। একজন ইয়াহইয়া সিনওয়ারকে শহীদ করে হামাসকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এক ইয়াহ ইয়া সিনওয়ারের বদলে হাজারো ইয়াহ ইয়া সিনওয়ারের জন্ম হবে ইন শা আল্লাহ। আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের প্রিয় নেতার শাহাদাতের উঁচু মাকামে কামনা করছি।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ফিলিস্তিনের হমাসের নেতা শহীদ ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাজা নামাজের উদ্দেশ্যে এখানে উপস্থিত হয়েছি। উপাচার্য দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী জনতা যুদ্ধ করছে। আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং আমাদের হৃদয়ের রক্ত তাদের সাথে আছে। এছাড়াও সারা বিশ্বের নির্যাতিত মুক্তিকামী জনতার পাশে আমাদের কণ্ঠস্বর উজ্জীবিত থাকবে। এই প্রত্যয় আমাদের থাকা উচিত। এটা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব। এই শহীদের শাহাদাৎকে আল্লাহ পূর্ণ মাত্রায় কবুল করুক এইটাই আমাদের প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেন ইয়াহিয়া সিনওয়ার। তিনি ২০১৭ সালে গাজায় হামাসের নেতা নির্বাচিত হন। সিনওয়ার তার প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের অর্ধেক সময় ইসরায়েলি কারাগারে কাটিয়েছেন। হানিয়ার হত্যাকাণ্ডের পর জীবিত থাকা হামাসের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা ছিলেন তিনি। ইয়াহিয়া সিনওয়ার ১৭ অক্টোবর ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত হন। এ তথ্য ১৮ অক্টোবর হামাস নিশ্চিত করেছে।

ট্যাগস :

ইবিতে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত 

আপডেট সময় : ০৩:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

সাকিব আসলাম, ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দখলদার ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 আজ রবিবার (২০ অক্টোবর) দুপুর জোহরে নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বতটলা প্রাঙ্গণে ইবি কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আশরাফ উদ্দিন খানের ইমামতিতে এ গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ’র সাথে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলোজি ও ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ.ব.ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. এয়াকুব আলী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এস এম সুইট সহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।
ইয়াহিয়া ইবরাহিম হাসান সিনওয়ার ২৯ অক্টোবর ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ এবং হামাস এর রাজনৈতিক শাখার প্রধান। তিনি ইয়াহিয়া আস-সিনওয়ার হামাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্বনেতা বলে আমরা যাদেরকে ভাবছি তারাই কিন্ত এই হত্যাকান্ডের প্রকৃত উৎসাহদাতা বা মদদদাতা। যদি জাতিসংঘের কথা বলি তারা সারা বিশ্বের শান্তির বানী প্রচার করলেও ফিলিস্তিন বা গাজার ব্যাপারে নীরব থাকছে। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ফেরাতে হলে মুসলিম উম্মাহ একযোগে যোগদান করতে হবে পিছনে থেকে বাহবা দিয়ে কাজ হবেনা।
দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসানুল বান্না অলি বলেন, মুসলিম বীর সিপাহসালার, ফিলিস্তিনের মুসলমানদের মুক্তিকামী সংগঠন হামাস প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ারকে ইসরায়েলের ইহুদি এবং তাদের মদদপুষ্টরা শহীদ করে যদি ভেবে ভেবে থাকে যে,তার শাহাদাতের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে দমিয়ে দেওয়া যাবে তাহলে হয়তো ওরা ভুলের মধ্যে আছে। কারণ তাদের জেনে রাখা দরকার মুসলমানদের গন্তব্য তো জান্নাত। একজন ইয়াহইয়া সিনওয়ারকে শহীদ করে হামাসকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এক ইয়াহ ইয়া সিনওয়ারের বদলে হাজারো ইয়াহ ইয়া সিনওয়ারের জন্ম হবে ইন শা আল্লাহ। আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের প্রিয় নেতার শাহাদাতের উঁচু মাকামে কামনা করছি।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ফিলিস্তিনের হমাসের নেতা শহীদ ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাজা নামাজের উদ্দেশ্যে এখানে উপস্থিত হয়েছি। উপাচার্য দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী জনতা যুদ্ধ করছে। আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং আমাদের হৃদয়ের রক্ত তাদের সাথে আছে। এছাড়াও সারা বিশ্বের নির্যাতিত মুক্তিকামী জনতার পাশে আমাদের কণ্ঠস্বর উজ্জীবিত থাকবে। এই প্রত্যয় আমাদের থাকা উচিত। এটা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব। এই শহীদের শাহাদাৎকে আল্লাহ পূর্ণ মাত্রায় কবুল করুক এইটাই আমাদের প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেন ইয়াহিয়া সিনওয়ার। তিনি ২০১৭ সালে গাজায় হামাসের নেতা নির্বাচিত হন। সিনওয়ার তার প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের অর্ধেক সময় ইসরায়েলি কারাগারে কাটিয়েছেন। হানিয়ার হত্যাকাণ্ডের পর জীবিত থাকা হামাসের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা ছিলেন তিনি। ইয়াহিয়া সিনওয়ার ১৭ অক্টোবর ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত হন। এ তথ্য ১৮ অক্টোবর হামাস নিশ্চিত করেছে।