ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দুই বিমানবন্দর থেকে সোয়া ৩ কোটি টাকার সোনা, মদ ও নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ Logo কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, ৫ জনের মৃত্যু Logo সাদাছড়ি দেখেও থামে না গাড়ি, মেলে না কাজ Logo বাংলাদেশের বাজারে অনার এক্স৭ই ও এক্স৬ই Logo পপুলার লাইফের ময়নমসিংহ অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের বীমা দাবীর ৬ কোটি ৪৩ লক্ষ ১৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ উৎসব ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo লাওস-ভিয়েতনামে ক্যানসারের ওষুধ পাচার, চীনা নাগরিকসহ গ্রেফতার ৪ Logo আইএমএফের ঋণ পেতে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী Logo পাকিস্তানে স্কুল ভবন ধস, নিহত ২১ Logo নওগাঁয় পাচারকালে আটক সার প্রকাশ্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি ॥ বিক্রিত অর্থ গেলো সরকারি কোষাগারে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পচা ডিম দিয়ে বেকারি পণ্য তৈরি জরিমানা ১ লক্ষ টাকা

আসিফ মাহমুদের অবস্থা এখন, ‘চোরের মায়ের বড় গলা’: রাশেদ খান

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০৯ বার পঠিত

চোরের মায়ের বড় গলা–সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের অবস্থা এখন এরকম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে! অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি! এই বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। আমি তখন আসিফ মাহমুদের এই বিষয়টা তাদেরকে জানালে তারা বলতো, ভাই,  আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সাথে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই! দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম তো বহুবার গণমাধ্যম বলেছে, দু’জন ছাত্র উপদেষ্টার সাথে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নাই!’

তিনি আরও লেখেন, ‘আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিলো। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সেসময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এই দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম। তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, ‘আমরা যে বেতন পাই, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও লেখেন, ‘দেখেন, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না? কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে! চোরের মায়ের বড় গলা, দুর্নীতির বরপুত্র আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সেরকম হয়েছে!’

ট্যাগস :

আসিফ মাহমুদের অবস্থা এখন, ‘চোরের মায়ের বড় গলা’: রাশেদ খান

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চোরের মায়ের বড় গলা–সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের অবস্থা এখন এরকম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে! অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি! এই বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। আমি তখন আসিফ মাহমুদের এই বিষয়টা তাদেরকে জানালে তারা বলতো, ভাই,  আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সাথে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই! দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম তো বহুবার গণমাধ্যম বলেছে, দু’জন ছাত্র উপদেষ্টার সাথে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নাই!’

তিনি আরও লেখেন, ‘আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিলো। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সেসময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এই দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম। তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, ‘আমরা যে বেতন পাই, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও লেখেন, ‘দেখেন, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না? কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে! চোরের মায়ের বড় গলা, দুর্নীতির বরপুত্র আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সেরকম হয়েছে!’