ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আম রপ্তানি ৫০ হাজার টনে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার: কৃষিসচিব

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫ ১০০ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

বাংলাদেশে উৎপাদিত আম সুস্বাদু ও গুণগত মানসম্পন্ন হওয়ায় সারা বিশ্বে চাহিদা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান। তিনি বলেন, চাহিদা থাকলেও সীমাবদ্ধতার কারণে সব জায়গায় আমরা আম পৌঁছাতে পারি না। উন্নত কৃষিচর্চার মাধ্যমে গ্যাপ পূরণ করে আমরা রপ্তানি বাড়াতে চাই। বাংলাদেশের আম ৩৮টি দেশে রপ্তানি হয়। এ বছর নতুন করে চীনে রপ্তানি শুরু হয়েছে। গত বছর ১৩০০ টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। আমরা আম রপ্তানি ৫০ হাজার টনে উন্নীত করতে পারি।

শুক্রবার (৩০ মে) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে কৃষকের বাজারে ‘উত্তম কৃষিচর্চা অনুসরণ করে নিরাপদ আম বাজারজাতকরণের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে সচিব এসব কথা বলেন। আমের রং ও মৌসুম বাড়াতে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন জানিয়ে এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, আমাদের দেশের আম বেশ সুস্বাদু। কিন্তু আমের কালার (রং) নিয়ে বিদেশে কনফিউশন রয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা বজায় রেখে কীভাবে আমের রং ও মৌসুম বাড়ানো যায়, তার জন্য আমাদের বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন।

কৃষিসচিব আরও বলেন, যথাযথভাবে আম উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে আমরা কাজ করছি। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক প্রকল্পও রয়েছে।  রপ্তানি বাধা কাটিয়ে উঠতে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে জানিয়ে এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, রপ্তানির সময় যে সমস্যাগুলো হয়, সেটা দেখব। কাস্টমসসহ যে বিষয়গুলোতে দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে, তা সমাধানে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক নার্গীস আক্তার, প্রোগ্রাম অন অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো–অর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

ট্যাগস :

আম রপ্তানি ৫০ হাজার টনে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার: কৃষিসচিব

আপডেট সময় : ০২:৩৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

বাংলাদেশে উৎপাদিত আম সুস্বাদু ও গুণগত মানসম্পন্ন হওয়ায় সারা বিশ্বে চাহিদা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান। তিনি বলেন, চাহিদা থাকলেও সীমাবদ্ধতার কারণে সব জায়গায় আমরা আম পৌঁছাতে পারি না। উন্নত কৃষিচর্চার মাধ্যমে গ্যাপ পূরণ করে আমরা রপ্তানি বাড়াতে চাই। বাংলাদেশের আম ৩৮টি দেশে রপ্তানি হয়। এ বছর নতুন করে চীনে রপ্তানি শুরু হয়েছে। গত বছর ১৩০০ টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। আমরা আম রপ্তানি ৫০ হাজার টনে উন্নীত করতে পারি।

শুক্রবার (৩০ মে) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে কৃষকের বাজারে ‘উত্তম কৃষিচর্চা অনুসরণ করে নিরাপদ আম বাজারজাতকরণের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে সচিব এসব কথা বলেন। আমের রং ও মৌসুম বাড়াতে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন জানিয়ে এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, আমাদের দেশের আম বেশ সুস্বাদু। কিন্তু আমের কালার (রং) নিয়ে বিদেশে কনফিউশন রয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা বজায় রেখে কীভাবে আমের রং ও মৌসুম বাড়ানো যায়, তার জন্য আমাদের বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন।

কৃষিসচিব আরও বলেন, যথাযথভাবে আম উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে আমরা কাজ করছি। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক প্রকল্পও রয়েছে।  রপ্তানি বাধা কাটিয়ে উঠতে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে জানিয়ে এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, রপ্তানির সময় যে সমস্যাগুলো হয়, সেটা দেখব। কাস্টমসসহ যে বিষয়গুলোতে দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে, তা সমাধানে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক নার্গীস আক্তার, প্রোগ্রাম অন অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো–অর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।