ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমের খোসায়ও আছে অনেক পুষ্টি!

লাইফস্টাইল ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ ৩৭ বার পঠিত

আম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমরা সবাই সাধারণত আমের চামড়া ফেলে দিয়ে রসালো অংশ খাই। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে আমের খোসারও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আমের চেয়ে খোসায় বেশি পুষ্টি থাকে।

ইউনিভার্সিটি অফ কুইন্সল্যান্ড স্কুল অফ ফার্মেসির এক গবেষণায় দেখা গেছে আমের খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এটি চর্বি কোষের গঠন কমায়। কিছু গবেষণা ক্যানসার কোষ সারাতে এমনকি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। আমের খোসা যেভাবে শরীরের উপকার করে-

১. আমের খোসা উদ্ভিদ যৌগ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বার্ধক্য কমায়। এছাড়া আমের চামড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম, কোলিন ও পটাশিয়াম।

২. আমের খোসার শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ম্যাঙ্গিফেরিন, নোরাথাইরিওল এবং রেসভেরাট্রল নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।

৩. পুরুষদের উপর পরিচালিত হার্ভার্ড গবেষণা অনুসারে, যারা নিয়মিত আমের খোসা খেয়ে থাকেন তাদের কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কম ছিল। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় আমের খোসা পরিপাকতন্ত্রের জন্যও ভালো।

৪. আমের খোসা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত আমের খোসা খেতে পারেন।

৫. আমের খোসা ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। শুকনো আমের খোসার গুঁড়া ত্বকের যত্নে খুবই কার্যকরী। এই পাউডারের সঙ্গে দই মিশিয়ে একটি ফেসপ্যাক তৈরি করলে ত্বকের বিভিন্ন দাগসহ রোদে পোড়া ভাব দূর হবে।

৬. এমনকি আমের খোসার গুঁড়াও ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এজন্য ত্বকে আমের খোসার গুঁড়োর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লোশন মিশিয়ে মুখ, বাহু, পাসহ শরীরের খোলা অংশে ব্যবহার করুন। আমের খোসায় থাকা ভিটামিন ই এবং সি অ্যান্টি-ট্যানিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

কিভাবে আমের খোসা খাবেন?

আম ভালো করে ধুয়ে খোসাসহ খেতে পারেন। গিলতে না পারলে আমের খোসা চিবিয়ে তার রস পান করুন। এ ছাড়া আমের খোসার সঙ্গে মিশিয়েও পান করতে পারেন। আপনি চাইলে আমের খোসা শুকিয়ে পানিতে মিশিয়ে পান করতে পারেন।

আমের খোসায়ও আছে অনেক পুষ্টি!

আপডেট সময় : ০২:২৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

আম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমরা সবাই সাধারণত আমের চামড়া ফেলে দিয়ে রসালো অংশ খাই। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে আমের খোসারও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আমের চেয়ে খোসায় বেশি পুষ্টি থাকে।

ইউনিভার্সিটি অফ কুইন্সল্যান্ড স্কুল অফ ফার্মেসির এক গবেষণায় দেখা গেছে আমের খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এটি চর্বি কোষের গঠন কমায়। কিছু গবেষণা ক্যানসার কোষ সারাতে এমনকি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। আমের খোসা যেভাবে শরীরের উপকার করে-

১. আমের খোসা উদ্ভিদ যৌগ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বার্ধক্য কমায়। এছাড়া আমের চামড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম, কোলিন ও পটাশিয়াম।

২. আমের খোসার শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ম্যাঙ্গিফেরিন, নোরাথাইরিওল এবং রেসভেরাট্রল নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।

৩. পুরুষদের উপর পরিচালিত হার্ভার্ড গবেষণা অনুসারে, যারা নিয়মিত আমের খোসা খেয়ে থাকেন তাদের কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কম ছিল। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় আমের খোসা পরিপাকতন্ত্রের জন্যও ভালো।

৪. আমের খোসা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত আমের খোসা খেতে পারেন।

৫. আমের খোসা ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। শুকনো আমের খোসার গুঁড়া ত্বকের যত্নে খুবই কার্যকরী। এই পাউডারের সঙ্গে দই মিশিয়ে একটি ফেসপ্যাক তৈরি করলে ত্বকের বিভিন্ন দাগসহ রোদে পোড়া ভাব দূর হবে।

৬. এমনকি আমের খোসার গুঁড়াও ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এজন্য ত্বকে আমের খোসার গুঁড়োর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লোশন মিশিয়ে মুখ, বাহু, পাসহ শরীরের খোলা অংশে ব্যবহার করুন। আমের খোসায় থাকা ভিটামিন ই এবং সি অ্যান্টি-ট্যানিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

কিভাবে আমের খোসা খাবেন?

আম ভালো করে ধুয়ে খোসাসহ খেতে পারেন। গিলতে না পারলে আমের খোসা চিবিয়ে তার রস পান করুন। এ ছাড়া আমের খোসার সঙ্গে মিশিয়েও পান করতে পারেন। আপনি চাইলে আমের খোসা শুকিয়ে পানিতে মিশিয়ে পান করতে পারেন।