ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আফটার-সেলসে রিয়েলমির নতুন মানদণ্ডঃ এক্সক্লুসিভ ‘১ আওয়ার সার্ভিস Logo অপরাধ জগতের গটফাদার মোল্লা কাউসার ব্যারের হাতে গ্রেফতার। Logo বেতন-ভাতা দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রমিকদের আন্দোলনের Logo নাহিদ রানার ঝড়: পাকিস্তানের পাঁচ উইকেট একাই তুলে নিলেন বাংলাদেশের পেস মাস্টার Logo জাইমা রহমান আজ মিরপুরে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে Logo ‘ব্যর্থ প্রেমের’ নায়ক বাপ্পারাজের জন্মদিন উদযাপন Logo হিরো আলম জামিনের পর সাংবাদিকদের সামনে আসবেন Logo আগামীকাল সংসদে উপস্থিত থেকে ভাষণ দিবেন রাষ্ট্রপতি Logo বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে মিরপুরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Logo ইরানের দাবি: যুক্তরাষ্ট্র তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে

ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা

আমাদের মূল বিষয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫ ১৮৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে আরও ১০০ পণ্যকে শুল্কমুক্ত তালিকায় যুক্ত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশীর উদ্দিন। তিনি বলেছেন, আমাদের মূল বিষয় হচ্ছে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো। আমরা ওটার ওপরেই কাজ করছি।মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।শুল্ক আরোপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তার রেসপন্স পেয়েছেন কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, না, আমরা এখনো কোনো রেসপন্স পাইনি।সামগ্রিকভাবে শুল্ক আরোপের ফলে মানুষের মনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, এটা সামাল দিতে আমাদের মেকানিজম কী হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে শেখ বশীর উদ্দীন বলেন, আমাদের মূল বিষয় হচ্ছে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো। আমরা ওটার ওপরেই কাজ করছি। বিভিন্ন রকমের বিশ্লেষণ করছি যে কী কী পণ্য দিয়ে আমরা বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে পারি। আসলে বিষয়টা অতি পরিবর্তনশীল একটা বিষয়।তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন গতকাল আমেরিকান প্রশাসন বলেছে যে, চায়নিজ… ট্যারিফ ঘোষণা করেছে, ওনারা আবার আরও ৫০ শতাংশ দিতে পারে। এ ধরনের পরিবর্তনশীল অবস্থায় যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া জটিল।১০০ পণ্য জিরো ট্যারিফ করা হবে, সেটা নিয়ে কোনো পজিটিভ ইমপ্যাক্ট পড়বে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, অবশ্যই, আমরা আশা করছি দেখেইতো এই পরিশ্রম করছি। আমরা নির্ণয় করার চেষ্টা করছি কী কী ভাবে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতিটাকে কমিয়ে আনা যায়।বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গতকালই ট্রাম্প প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে। আমরা রেসপন্স করেছি, আমরা পজিটিভ কিছু প্রত্যাশা করছি। আমরাও সহযোগিতা করবো তারাও সহযোগিতা করবে। একটা উইন উইন অবস্থা।তিনি বলেন, একদিকে ওনারা করে ফেললো আমরা অ্যাডজাস্ট করবো বিষয়টা সেটা না। আমরা আমাদের ইস্যুটা তুলে ধরবো। আমি বিশ্বাস করি এই বিষয়টা সমাধান হবে। একটা পজিটিভ হবে, পজিটিভ বলতে তাদেরও লাভ হবে আমাদেরও লাভ হবে।তিনি আরও বলেন, আজ আমরা মসুর ডাল, চাল, এলএনজি ও তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছি। আজ যে ক্রয়ের অর্ডারগুলো দিয়েছি সেগুলো আগের তুলনায়, মূল্য কম। এটা কারণ হচ্ছে আমরা একটু প্রতিযোগিতা করতে চাচ্ছি। আগে গুটিকয়েক সাপ্লায়ার দিতো, এখন ওপেন করাতে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ফলে আমরা কম দামে পাচ্ছি। আমাদের অনেক সাশ্রয় হচ্ছে।

ট্যাগস :

ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা

আমাদের মূল বিষয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো

আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে আরও ১০০ পণ্যকে শুল্কমুক্ত তালিকায় যুক্ত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশীর উদ্দিন। তিনি বলেছেন, আমাদের মূল বিষয় হচ্ছে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো। আমরা ওটার ওপরেই কাজ করছি।মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।শুল্ক আরোপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তার রেসপন্স পেয়েছেন কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, না, আমরা এখনো কোনো রেসপন্স পাইনি।সামগ্রিকভাবে শুল্ক আরোপের ফলে মানুষের মনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, এটা সামাল দিতে আমাদের মেকানিজম কী হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে শেখ বশীর উদ্দীন বলেন, আমাদের মূল বিষয় হচ্ছে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো। আমরা ওটার ওপরেই কাজ করছি। বিভিন্ন রকমের বিশ্লেষণ করছি যে কী কী পণ্য দিয়ে আমরা বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে পারি। আসলে বিষয়টা অতি পরিবর্তনশীল একটা বিষয়।তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন গতকাল আমেরিকান প্রশাসন বলেছে যে, চায়নিজ… ট্যারিফ ঘোষণা করেছে, ওনারা আবার আরও ৫০ শতাংশ দিতে পারে। এ ধরনের পরিবর্তনশীল অবস্থায় যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া জটিল।১০০ পণ্য জিরো ট্যারিফ করা হবে, সেটা নিয়ে কোনো পজিটিভ ইমপ্যাক্ট পড়বে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, অবশ্যই, আমরা আশা করছি দেখেইতো এই পরিশ্রম করছি। আমরা নির্ণয় করার চেষ্টা করছি কী কী ভাবে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতিটাকে কমিয়ে আনা যায়।বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গতকালই ট্রাম্প প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে। আমরা রেসপন্স করেছি, আমরা পজিটিভ কিছু প্রত্যাশা করছি। আমরাও সহযোগিতা করবো তারাও সহযোগিতা করবে। একটা উইন উইন অবস্থা।তিনি বলেন, একদিকে ওনারা করে ফেললো আমরা অ্যাডজাস্ট করবো বিষয়টা সেটা না। আমরা আমাদের ইস্যুটা তুলে ধরবো। আমি বিশ্বাস করি এই বিষয়টা সমাধান হবে। একটা পজিটিভ হবে, পজিটিভ বলতে তাদেরও লাভ হবে আমাদেরও লাভ হবে।তিনি আরও বলেন, আজ আমরা মসুর ডাল, চাল, এলএনজি ও তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছি। আজ যে ক্রয়ের অর্ডারগুলো দিয়েছি সেগুলো আগের তুলনায়, মূল্য কম। এটা কারণ হচ্ছে আমরা একটু প্রতিযোগিতা করতে চাচ্ছি। আগে গুটিকয়েক সাপ্লায়ার দিতো, এখন ওপেন করাতে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ফলে আমরা কম দামে পাচ্ছি। আমাদের অনেক সাশ্রয় হচ্ছে।