ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আমরা আইএমএফের ওপর নির্ভরশীল নই: পরিকল্পনা মন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩ ১৭৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আমরা আইএমএফের ওপর নির্ভরশীল নই, তারা ঋণ দিতে কোনো শর্ত দেয়নি। তবে কিছু শর্ত দেওয়া আছে, যেমন ঋণের সুদ কত, কত বছরে পরিশোধ করব- এসব।

সোমবার (১৫ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সিপিডির নাগরিক প্ল্যাটফর্মে ‘আইএমএফের সময় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর কীভাবে জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হতে পারে?’ শিরোনামে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে বাজেটের সম্পর্ক কী? তারা পার্শ্ব অভিনেতা, বাজেট আমাদের নিজস্ব জিনিস। তবে আইএমএফের কিছু শর্ত রয়েছে। প্রয়োজনে হাত পাতি, দেওয়ার দায়িত্ব আইএমএফের। অনেকে বলছেন দাতাগোষ্ঠী, আমি এই শব্দটির বিরুদ্ধে। কারণ তারা উন্নয়ন সহযোগী, আমরা ঋণ গ্রহণ করি এবং প্রকৃতপক্ষে সুদ পরিশোধ করি। বাজেটে উন্নয়ন সহযোগীদের অবদান মাত্র ২ শতাংশ।

দারিদ্র্য প্রসঙ্গে এম এ মান্নান বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি আমাদের দরিদ্ররা বঞ্চিত। পদ্ধতিগতভাবে তারা বছরের পর বছর বঞ্চিত হচ্ছে। আমি গ্রামে যাই সরকারি মালামাল নিয়ে, এগুলো কোথায় যায় জানি না। এটা খুঁজে বের করাও কঠিন।

রেমিটেন্স প্রবাহ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ৩০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স খারাপ নয়। এটার খবর একসময় কেউ রাখতো না। একসময় ৫০ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে, তাই নজরে আসছে।

প্রাইভেট রিসার্চ ইনস্টিটিউট সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সিপিডির অনারারি ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাসহ অন্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আমরা আইএমএফের ওপর নির্ভরশীল নই: পরিকল্পনা মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আমরা আইএমএফের ওপর নির্ভরশীল নই, তারা ঋণ দিতে কোনো শর্ত দেয়নি। তবে কিছু শর্ত দেওয়া আছে, যেমন ঋণের সুদ কত, কত বছরে পরিশোধ করব- এসব।

সোমবার (১৫ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সিপিডির নাগরিক প্ল্যাটফর্মে ‘আইএমএফের সময় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর কীভাবে জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হতে পারে?’ শিরোনামে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে বাজেটের সম্পর্ক কী? তারা পার্শ্ব অভিনেতা, বাজেট আমাদের নিজস্ব জিনিস। তবে আইএমএফের কিছু শর্ত রয়েছে। প্রয়োজনে হাত পাতি, দেওয়ার দায়িত্ব আইএমএফের। অনেকে বলছেন দাতাগোষ্ঠী, আমি এই শব্দটির বিরুদ্ধে। কারণ তারা উন্নয়ন সহযোগী, আমরা ঋণ গ্রহণ করি এবং প্রকৃতপক্ষে সুদ পরিশোধ করি। বাজেটে উন্নয়ন সহযোগীদের অবদান মাত্র ২ শতাংশ।

দারিদ্র্য প্রসঙ্গে এম এ মান্নান বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি আমাদের দরিদ্ররা বঞ্চিত। পদ্ধতিগতভাবে তারা বছরের পর বছর বঞ্চিত হচ্ছে। আমি গ্রামে যাই সরকারি মালামাল নিয়ে, এগুলো কোথায় যায় জানি না। এটা খুঁজে বের করাও কঠিন।

রেমিটেন্স প্রবাহ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ৩০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স খারাপ নয়। এটার খবর একসময় কেউ রাখতো না। একসময় ৫০ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে, তাই নজরে আসছে।

প্রাইভেট রিসার্চ ইনস্টিটিউট সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সিপিডির অনারারি ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাসহ অন্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।