ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া ভাউচার, অর্থ লেনদেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও দালালচক্র তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালীর অপসারণ দাবি Logo ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ Logo সায়মন তারিকের নেতৃত্বে এফডিসিতে ‘চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি’র আত্মপ্রকাশ Logo ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে মেসির প্রত্যাবর্তন, মনোনয়ন পেলেন না রোনালদো Logo বন্যার পর তিব্বতে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নেপালেও অনুভূত কম্পন Logo আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ১১০৮ টাকা Logo ১২ বছরের পথচলা উদযাপন: দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ৮০% পর্যন্ত ফ্ল্যাশ সেল, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার ও ৬৪ জেলায় ফ্রি ডেলিভারির বিশেষ সুযোগ Logo জবিতে ২০ শিক্ষার্থীর চলচ্চিত্র প্রদর্শন, অনুষ্ঠিত হলো ‘৩৫ মিলিমিটার-২০২৬’ উৎসব Logo ঢাকাতেও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব থাকবে, জানাল সরকার Logo বিগ ব্যাশে খেলতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন মার্ক চ্যাপম্যান

আফগানিস্তানে আফিম উৎপাদন কমেছে ৯৫ শতাংশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩ ২৫৬ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আফগানিস্তান ছিল বিশ্বে আফিম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির বর্তমান সরকার নিষিদ্ধ করার পর থেকে দেশটিতে আফিমের ফলন প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে।

ইউনাইটেড নেশনস অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে সারা দেশে আফিম চাষ ২৩৩,০০০ হেক্টর থেকে কমে ১০,৮০০ হেক্টরেরও কম হয়েছে। আফিম উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৯৫ শতাংশ কমে ৩৩৩ টন হয়েছে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে এটি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে কৃষকদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, যেখানে বেশিরভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং পপি (আফিম/পোস্ত) রপ্তানির মূল্য কখনও কখনও সমস্ত আনুষ্ঠানিক রপ্তানি পণ্যের মূল্যকে ছাড়িয়ে গেছে। তালেবানের নীতিগত পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে দেশটির অর্থনীতিতে। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশর ইতিমধ্যেই মানবিক সহায়তার প্রয়োজন।

ইউএনওডিসির নির্বাহী পরিচালক ঘাদা ওয়ালি একটি বিবৃতিতে বলেছেন যে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানের কৃষকদের আফিম ছাড়াতে এবং টেকসই জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম করার জন্য আগামী মাসে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন।

তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা ২০২২ সালের এপ্রিলে মাদক চাষ নিষিদ্ধ করেছিলেন। এর আগে, ২০০০ সালে যখন তালেবানরা ক্ষমতায় ছিল, তারা আফিম চাষ নিষিদ্ধ করেছিল। আফিম চাষকে ‘অ-ইসলামিক’ আখ্যা দিয়ে তৎকালীন তালেবান নেতা মোল্লা মোহাম্মদ ওমর বলেছিলেন যে কেউ পপি বীজ লাগালে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও তহবিল পাওয়ার কৌশল হিসেবে তারা এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে একসময় দেশটির অর্ধেকেরও বেশি আফিম চাষ হতো। তবে তালেবান নিষেধাজ্ঞার পর থেকে আফিম চাষ কমে গেছে। এখন গমকেও বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পপি চাষ কমে যাওয়ায় একই অঞ্চলে গম চাষ বেড়েছে, কিন্তু লাভ কম হওয়ায় দরিদ্র কৃষকরা তা গ্রহণের সম্ভাবনা কম বলে মনে হচ্ছে।

আফগানিস্তানে আফিম উৎপাদন কমেছে ৯৫ শতাংশ

আপডেট সময় : ০১:৫৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আফগানিস্তান ছিল বিশ্বে আফিম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির বর্তমান সরকার নিষিদ্ধ করার পর থেকে দেশটিতে আফিমের ফলন প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে।

ইউনাইটেড নেশনস অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে সারা দেশে আফিম চাষ ২৩৩,০০০ হেক্টর থেকে কমে ১০,৮০০ হেক্টরেরও কম হয়েছে। আফিম উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৯৫ শতাংশ কমে ৩৩৩ টন হয়েছে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে এটি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে কৃষকদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, যেখানে বেশিরভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং পপি (আফিম/পোস্ত) রপ্তানির মূল্য কখনও কখনও সমস্ত আনুষ্ঠানিক রপ্তানি পণ্যের মূল্যকে ছাড়িয়ে গেছে। তালেবানের নীতিগত পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে দেশটির অর্থনীতিতে। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশর ইতিমধ্যেই মানবিক সহায়তার প্রয়োজন।

ইউএনওডিসির নির্বাহী পরিচালক ঘাদা ওয়ালি একটি বিবৃতিতে বলেছেন যে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানের কৃষকদের আফিম ছাড়াতে এবং টেকসই জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম করার জন্য আগামী মাসে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন।

তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা ২০২২ সালের এপ্রিলে মাদক চাষ নিষিদ্ধ করেছিলেন। এর আগে, ২০০০ সালে যখন তালেবানরা ক্ষমতায় ছিল, তারা আফিম চাষ নিষিদ্ধ করেছিল। আফিম চাষকে ‘অ-ইসলামিক’ আখ্যা দিয়ে তৎকালীন তালেবান নেতা মোল্লা মোহাম্মদ ওমর বলেছিলেন যে কেউ পপি বীজ লাগালে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও তহবিল পাওয়ার কৌশল হিসেবে তারা এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে একসময় দেশটির অর্ধেকেরও বেশি আফিম চাষ হতো। তবে তালেবান নিষেধাজ্ঞার পর থেকে আফিম চাষ কমে গেছে। এখন গমকেও বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পপি চাষ কমে যাওয়ায় একই অঞ্চলে গম চাষ বেড়েছে, কিন্তু লাভ কম হওয়ায় দরিদ্র কৃষকরা তা গ্রহণের সম্ভাবনা কম বলে মনে হচ্ছে।