ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বনানীর একটি বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট Logo গাজীপুরে তরুণদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo ক্যাম্পাস নিরাপত্তা জোরদারে গাকৃবিতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo শুল্ক হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি চীনের Logo জ্বালানি চাহিদা পূরণে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী Logo তাহসানকে ঘিরে ভিভো বৈশাখ স্টোরে ব্যাপক সাড়া Logo অনলাইন অপপ্রচার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের Logo নওগাঁয় পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বাদিকে আপসের চাপ দেওয়ার অভিযোগ Logo গাজীপুরে ৯০ স্টলে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন এমপি রনি Logo এই বৈশাখে তাহসানের সঙ্গে মিট-অ্যান্ড-গ্রিটের দারুণ সুযোগ

কোচের স্বীকারোক্তি

অপারেশন সিঁদুর কল্যাণ বয়ে এনেছে বেঙ্গালুরুর

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫ ৩৯১ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

আইপিএলের সদসমাপ্ত আসর চলাকালীন ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাকিস্তানে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল ভারত। ভারতশাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দেশটির কয়েকটি স্থাপনায় হামলা করে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী। জবাবে পাকিস্তানও পাল্টা হামলা করলে এক সপ্তাহের বেশি সময়ের জন্য স্থগিত হয়ে যায় আইপিএল। দু’দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা শুরু হলে আইপিএল খেলতে আসা বিদেশি তারকারা ভারত ছাড়তে থাকেন। যুদ্ধবিরতির পর পুনরায় টুর্নামেন্ট শুরু হলেও সব ক্রিকেটার না ফেরায় টুর্নামেন্টের উত্তেজনা ও গতি কমে যায়।তবে যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে খেলা বন্ধ থাকাটাই কল্যাণ বয়ে এনেছে আইপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। মঙ্গলবার পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আইপিএলের সোনালী ট্রফি জেতার পর বেঙ্গালুরুর হেড কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারও সেটি স্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে ইনজুরির কারণে কয়েকটি ম্যাচ মিস করা পতিদার ফর্মে ছিলেন। পুরো মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ১৪৩.৭৭ স্ট্রাইক রেটে ৩১২ রান করেন তিনি। প্রথমবার অধিনায়কত্ব করেও পতিদারের পারফরম্যান্স ও নেতৃত্ব দেখে তাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কোচ ফ্লাওয়ার।কোচ বলেন, ‘আমার মনে হয় রাজতের সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক হলো, অল্প অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও অধিনায়কত্ব তার ব্যাটিংয়ে কোনো প্রভাব ফেলেনি। আমি ওকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছি। সে এখনও আগের মতোই বিনয়ী, ভদ্র, মাটির মানুষ। এই দায়িত্ব তাকে বদলায়নি।’

ফ্লাওয়ার আরও বলেন, ‘বেঙ্গালুরুর মতো ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়কত্ব করা খুব কঠিন কাজ। আমি যখন ওর বয়সে ছিলাম, তখন আমি অনেক খারাপভাবে ক্যাপ্টেন্সি করেছি। তাই সে যেভাবে দলকে সামলেছে, সেটা আমার গভীর শ্রদ্ধা আদায় করে নিয়েছে। বড় বড় তারকা খেলোয়াড়দের নেতৃত্ব দেওয়া সহজ ব্যাপার নয়। কিন্তু রাজতের নেতৃত্বে এক ধরনের শান্ততা ছিল, যা সত্যিই অনন্য। চাপের মুখে সে যেভাবে ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা যথেষ্ট সম্মান পাওয়ার যোগ্য।’

ট্যাগস :

কোচের স্বীকারোক্তি

অপারেশন সিঁদুর কল্যাণ বয়ে এনেছে বেঙ্গালুরুর

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

আইপিএলের সদসমাপ্ত আসর চলাকালীন ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাকিস্তানে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল ভারত। ভারতশাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দেশটির কয়েকটি স্থাপনায় হামলা করে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী। জবাবে পাকিস্তানও পাল্টা হামলা করলে এক সপ্তাহের বেশি সময়ের জন্য স্থগিত হয়ে যায় আইপিএল। দু’দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা শুরু হলে আইপিএল খেলতে আসা বিদেশি তারকারা ভারত ছাড়তে থাকেন। যুদ্ধবিরতির পর পুনরায় টুর্নামেন্ট শুরু হলেও সব ক্রিকেটার না ফেরায় টুর্নামেন্টের উত্তেজনা ও গতি কমে যায়।তবে যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে খেলা বন্ধ থাকাটাই কল্যাণ বয়ে এনেছে আইপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। মঙ্গলবার পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আইপিএলের সোনালী ট্রফি জেতার পর বেঙ্গালুরুর হেড কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারও সেটি স্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে ইনজুরির কারণে কয়েকটি ম্যাচ মিস করা পতিদার ফর্মে ছিলেন। পুরো মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ১৪৩.৭৭ স্ট্রাইক রেটে ৩১২ রান করেন তিনি। প্রথমবার অধিনায়কত্ব করেও পতিদারের পারফরম্যান্স ও নেতৃত্ব দেখে তাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কোচ ফ্লাওয়ার।কোচ বলেন, ‘আমার মনে হয় রাজতের সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক হলো, অল্প অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও অধিনায়কত্ব তার ব্যাটিংয়ে কোনো প্রভাব ফেলেনি। আমি ওকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছি। সে এখনও আগের মতোই বিনয়ী, ভদ্র, মাটির মানুষ। এই দায়িত্ব তাকে বদলায়নি।’

ফ্লাওয়ার আরও বলেন, ‘বেঙ্গালুরুর মতো ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়কত্ব করা খুব কঠিন কাজ। আমি যখন ওর বয়সে ছিলাম, তখন আমি অনেক খারাপভাবে ক্যাপ্টেন্সি করেছি। তাই সে যেভাবে দলকে সামলেছে, সেটা আমার গভীর শ্রদ্ধা আদায় করে নিয়েছে। বড় বড় তারকা খেলোয়াড়দের নেতৃত্ব দেওয়া সহজ ব্যাপার নয়। কিন্তু রাজতের নেতৃত্বে এক ধরনের শান্ততা ছিল, যা সত্যিই অনন্য। চাপের মুখে সে যেভাবে ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা যথেষ্ট সম্মান পাওয়ার যোগ্য।’