ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী Logo বেনজীরকে ফেরাতে দুদকের ৬ মামলার নথি যাচ্ছে দুবাই Logo ফুলবাড়িয়ায় মলঙ্গী খাল পুনঃখননে নতুন প্রাণ ফিরছে রাধাকানাইয়ের কৃষি ও জনজীবনে: Logo ইরান চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে শুক্রবার: ট্রাম্প Logo দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিললেও তা প্রত্যাখ্যান করি: জাহেদ উর রহমান Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে নজরে থাকবেন যারা, মেসি থেকে মাহরেজ পর্যন্ত Logo রাজাপুর বড়ইয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ

অতিরিক্ত ‘প্যারাসিটামল’ খেয়ে মারাত্মক কোনো রোগ বয়ে আনছেন না তো?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩ ২৭০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

জ্বর, মাথাব্যথার সমস্যায় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে প্রায় সবাই প্যারাসিটামল খান। কিন্তু এই অভ্যাস বিপজ্জনক হতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর, মাথাব্যথা, হাত-পায়ে ব্যথার মতো সমস্যার জন্য প্যারাসিটামল অত্যন্ত কার্যকর ও নিরাপদ ওষুধ।

কিন্তু সমস্যা হল অনেকেই সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এই ওষুধ খান না। আর এ কারণেই তারা প্যারাসিটামল ওভারডোজে সমস্যা পড়েন। জেনে নিন এক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী কী-

আপনি যদি ঘন ঘন প্যারাসিটামল খাওয়ার অভ্যাস করে থাকেন তবে প্রাথমিকভাবে আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে বমি বমি ভাব। এমনকি অস্বস্তি হতে পারে।

তারপর ধীরে ধীরে বুকের ডান পাশের পাঁজরের নিচে ব্যথা শুরু হতে পারে। এমনকি ফ্যাকাশে ত্বক এবং চোখ (জন্ডিস) হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই প্যারাসিটামল ওভারডোজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।

এর যেসব উপসর্গ থাকতে পারে-

১. আশপাশে কী ঘটছে তা বুঝতে সমস্যা হতে পারে
২. ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে পারে কিডনি
৩. প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে
৪. সুগার ফলও করতে পারে
৫. শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিবেগ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে
৬. কিছু কিছু ক্ষেত্রে পিছু নিতে পারে অবসাদ।

যদি এই লক্ষণগুলির মধ্যে কোনটি দেখা দেয় তবে রোগীকে অবিলম্বে হাসপাতালের জরুরি কক্ষে নিয়ে যেতে হবে। রোগীর লক্ষণ শোনার পর, ডাক্তার সমস্যা সম্পর্কে একটি অনুমান করবেন এবং চিকিৎসা শুরু করবেন।

তবে শিশুদের প্যারাসিটামল দেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ডোজ খুব বেশি হয়ে গেলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর তখনই আপনার ছোট্ট সোনা বড় সমস্যায় পড়তে পারে।

এদিকে, প্রাপ্তবয়স্করা প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর প্যারাসিটামল খেতে পারেন। এতে আপনি উপকৃত হবেন। প্রসঙ্গত, ওজন ৫০-এর বেশি হলে প্যারাসিটামল ৬৫০ সহজেই সেবন করা যায়।

অতিরিক্ত ‘প্যারাসিটামল’ খেয়ে মারাত্মক কোনো রোগ বয়ে আনছেন না তো?

আপডেট সময় : ০২:০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

জ্বর, মাথাব্যথার সমস্যায় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে প্রায় সবাই প্যারাসিটামল খান। কিন্তু এই অভ্যাস বিপজ্জনক হতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর, মাথাব্যথা, হাত-পায়ে ব্যথার মতো সমস্যার জন্য প্যারাসিটামল অত্যন্ত কার্যকর ও নিরাপদ ওষুধ।

কিন্তু সমস্যা হল অনেকেই সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এই ওষুধ খান না। আর এ কারণেই তারা প্যারাসিটামল ওভারডোজে সমস্যা পড়েন। জেনে নিন এক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী কী-

আপনি যদি ঘন ঘন প্যারাসিটামল খাওয়ার অভ্যাস করে থাকেন তবে প্রাথমিকভাবে আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে বমি বমি ভাব। এমনকি অস্বস্তি হতে পারে।

তারপর ধীরে ধীরে বুকের ডান পাশের পাঁজরের নিচে ব্যথা শুরু হতে পারে। এমনকি ফ্যাকাশে ত্বক এবং চোখ (জন্ডিস) হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই প্যারাসিটামল ওভারডোজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।

এর যেসব উপসর্গ থাকতে পারে-

১. আশপাশে কী ঘটছে তা বুঝতে সমস্যা হতে পারে
২. ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে পারে কিডনি
৩. প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে
৪. সুগার ফলও করতে পারে
৫. শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিবেগ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে
৬. কিছু কিছু ক্ষেত্রে পিছু নিতে পারে অবসাদ।

যদি এই লক্ষণগুলির মধ্যে কোনটি দেখা দেয় তবে রোগীকে অবিলম্বে হাসপাতালের জরুরি কক্ষে নিয়ে যেতে হবে। রোগীর লক্ষণ শোনার পর, ডাক্তার সমস্যা সম্পর্কে একটি অনুমান করবেন এবং চিকিৎসা শুরু করবেন।

তবে শিশুদের প্যারাসিটামল দেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ডোজ খুব বেশি হয়ে গেলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর তখনই আপনার ছোট্ট সোনা বড় সমস্যায় পড়তে পারে।

এদিকে, প্রাপ্তবয়স্করা প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর প্যারাসিটামল খেতে পারেন। এতে আপনি উপকৃত হবেন। প্রসঙ্গত, ওজন ৫০-এর বেশি হলে প্যারাসিটামল ৬৫০ সহজেই সেবন করা যায়।