ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী Logo বেনজীরকে ফেরাতে দুদকের ৬ মামলার নথি যাচ্ছে দুবাই Logo ফুলবাড়িয়ায় মলঙ্গী খাল পুনঃখননে নতুন প্রাণ ফিরছে রাধাকানাইয়ের কৃষি ও জনজীবনে: Logo ইরান চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে শুক্রবার: ট্রাম্প Logo দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিললেও তা প্রত্যাখ্যান করি: জাহেদ উর রহমান Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে নজরে থাকবেন যারা, মেসি থেকে মাহরেজ পর্যন্ত Logo রাজাপুর বড়ইয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ

অতিরিক্ত গ্যাসের ওষুধ সেবনে বাড়তে পারে একাধিক রোগের ঝুঁকি!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪ ১২৭২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

আক্ষরিক অর্থে অনেকেরই গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। অল্প একটু ঢেকুর উঠলে কিংবা বমি ভাব, বদহজম বা গ্যাস হলেই এ ধরনের ওষুধ খান কমবেশি সবাই। কিন্তু এ ধরনের ওষুধ শরীরে আরও গভীর সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। গ্যাসের ওষুধ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আমেরিকান একাডেমি অফ নিউরোলজি গত বছর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকির কথা। যাদের গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বেশি, তাদের ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে।

আমেরিকান একাডেমি অফ নিউরোলজিতে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (এঊজউ) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এটি একটি বিশেষ সমস্যা যা খাদ্যনালীর চেহারা বেশ কিছুটা পরিবর্তন করে। জিইআরডি রোগের জন্য অনেককেই ওষুধ খেতে হয়।

যারা ওষুধের উচ্চ মাত্রা গ্রহণ করেন তাদের মধ্যে ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ওষুধের কারণেই যে ডিমেনশিয়া হয় তা বলা যায় না।

গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ: এটি খাদ্যনালীর একটি বিশেষ সমস্যা। পেটে প্রচুর অ্যাসিড থাকে। যেখানে খাদ্যনালী পাকস্থলীর সাথে মিলিত হয়, সেখানে একটি ভাল্ব থাকে। এই ভালভ পেটের অ্যাসিডকে খাদ্যনালীতে আসতে বাধা দেয়। কিন্তু ভালভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে, এসিড খাদ্যনালীতে উঠে যায়। এতে গলা ও বুকে জ্বালাপোড়া হয়। এর জন্য ওষুধ খেতে হবে।

ড্রাগ রেসিসটেন্স: এটি সম্ভবত সবচেয়ে বড় সমস্যা। ডাক্তাররা প্রায়ই এই সমস্যা সম্পর্কে কথা বলেন। দেখা গেছে কোনো ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন করলে শরীর ধীরে ধীরে সেই ওষুধের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়।

এমনকি ওষুধের প্রভাবও এক পর্যায়ে কমতে শুরু করে। পরে ওষুধটিও নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাই প্রয়োজন ছাড়া গ্যাসের ওষুধ খেতে নিষেধ করেন একদল চিকিৎসক।

অনেক গ্যাসের ওষুধের মাথাব্যথার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। এছাড়াও, অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। এছাড়াও, গ্যাসের ওষুধের বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যার মধ্যে একটি হল মাথা ঘোরা এবং বমি বমি ভাব।

 

অতিরিক্ত গ্যাসের ওষুধ সেবনে বাড়তে পারে একাধিক রোগের ঝুঁকি!

আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

আক্ষরিক অর্থে অনেকেরই গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। অল্প একটু ঢেকুর উঠলে কিংবা বমি ভাব, বদহজম বা গ্যাস হলেই এ ধরনের ওষুধ খান কমবেশি সবাই। কিন্তু এ ধরনের ওষুধ শরীরে আরও গভীর সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। গ্যাসের ওষুধ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আমেরিকান একাডেমি অফ নিউরোলজি গত বছর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকির কথা। যাদের গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বেশি, তাদের ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে।

আমেরিকান একাডেমি অফ নিউরোলজিতে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (এঊজউ) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এটি একটি বিশেষ সমস্যা যা খাদ্যনালীর চেহারা বেশ কিছুটা পরিবর্তন করে। জিইআরডি রোগের জন্য অনেককেই ওষুধ খেতে হয়।

যারা ওষুধের উচ্চ মাত্রা গ্রহণ করেন তাদের মধ্যে ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ওষুধের কারণেই যে ডিমেনশিয়া হয় তা বলা যায় না।

গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ: এটি খাদ্যনালীর একটি বিশেষ সমস্যা। পেটে প্রচুর অ্যাসিড থাকে। যেখানে খাদ্যনালী পাকস্থলীর সাথে মিলিত হয়, সেখানে একটি ভাল্ব থাকে। এই ভালভ পেটের অ্যাসিডকে খাদ্যনালীতে আসতে বাধা দেয়। কিন্তু ভালভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে, এসিড খাদ্যনালীতে উঠে যায়। এতে গলা ও বুকে জ্বালাপোড়া হয়। এর জন্য ওষুধ খেতে হবে।

ড্রাগ রেসিসটেন্স: এটি সম্ভবত সবচেয়ে বড় সমস্যা। ডাক্তাররা প্রায়ই এই সমস্যা সম্পর্কে কথা বলেন। দেখা গেছে কোনো ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন করলে শরীর ধীরে ধীরে সেই ওষুধের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়।

এমনকি ওষুধের প্রভাবও এক পর্যায়ে কমতে শুরু করে। পরে ওষুধটিও নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাই প্রয়োজন ছাড়া গ্যাসের ওষুধ খেতে নিষেধ করেন একদল চিকিৎসক।

অনেক গ্যাসের ওষুধের মাথাব্যথার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। এছাড়াও, অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। এছাড়াও, গ্যাসের ওষুধের বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যার মধ্যে একটি হল মাথা ঘোরা এবং বমি বমি ভাব।